হাইলাইট
।।ভোটের জন্য বহুরূপী সাজলেও না জানেন রবীন্দ্রনাথ, না জানেন মহাত্মা গান্ধি।।কলকাতা হাইকোর্টের তৃণমূল বিরোধী অবস্থানকে সমর্থন প্রধানমন্ত্রীর।।চরম অটোক্র্যাট মোদি ৮০000 হাজার টাকার ব্যাঙের ছাতা খান।।সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চরম বিতর্কিত হিন্দু ধর্মের বিজ্ঞাপন।।এই কদর্য রিমেক ভাজপাকেই মানায়।।প্রধানমন্ত্রীর পদ ব্যবহার করে বিজেপির প্রচার করছেন মো।।ভাজপা প্রার্থী হিরণের ডক্টরেট ডিগ্রি জাল।।বিজেপির দিকে ভোট সুইং হবে না, মোদিকে চ্যালেঞ্জ, দম থাকলে আমার সঙ্গে মুখোমুখি বিতর্ক সভায় বসুন।।থেকে যাওনা গো।।মমতার তরুণ তুর্কি দেবাংশু নীল ঘোড়ায়।।সর্বত্র ভাজপা হারছে, না হলে বলে জগন্নাথদেবও মোদির ভক্ত।।বিজেপির একটা বুথে মদ খাওয়ার খরচ ৫০০০ টাকা।।৬ মাসের মধ্যে শুরু হবে ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের কাজ।।পুরুলিয়ায় মোদির মঞ্চে ভারত সেবাশ্রমের সাধু।।১ মের বদলে ১ এপ্রিল থেকে ডিএ দেওয়ার সিদ্ধান্ত
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

ভোটের জন্য বহুরূপী সাজলেও না জানেন রবীন্দ্রনাথ, না জানেন মহাত্মা গান্ধি

ভোটের শেষ লগ্নে মোদিবাবুর মত, গান্ধি সিনেমা তোলা না হলে সারা বিশ্ব গান্ধির নামও জানত না ৩৬৫ দিন। ১০ অগাস্ট ২০০৭ : দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

কলকাতা হাইকোর্টের তৃণমূল বিরোধী অবস্থানকে সমর্থন প্রধানমন্ত্রীর

রাজ্যসঙ্গীত গাইতে গিয়ে পদে পদে হোচট খেলেন মোদী ৩৬৫দিন। কলকাতা হাইকোর্টের তৃণমূল বিরোধী রায়কে সমর্থন প্রধানমন্ত্রীর। মঙ্গলবার সপ্তম দফার নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় এসে তৃণমূল বিরোধী

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

চরম অটোক্র্যাট মোদি ৮০000 হাজার টাকার ব্যাঙের ছাতা খান

মোদির স্বৈরতান্ত্রিকত আচরণের বিরুদ্ধে মমতার গর্জন ৩৬৫ দিন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লাঞ্চের খরচ প্রায় চার লক্ষ টাকা। উনি যে ব্যাঙের ছাতা বা মাশরুম খান সেটি

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

সুপ্রিম কোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে চরম বিতর্কিত হিন্দু ধর্মের বিজ্ঞাপন

এবার ঘোমটার আড়ালে ভাজপার খ্যামটা নাচ,নিউজ মিডিয়া ছেড়ে সোশাল মিডিয়ায় বিপুল টাকা ঢেলে ৩৬৫ দিন। মোদী হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়! তার জেরে জাতীয় নির্বাচন কমিশন

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

এই কদর্য রিমেক ভাজপাকেই মানায়

গৌতম ঘোষের ধিক্কার গৌতম ঘোষ। ৩৬৫ দিন। সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবিকে ,তার সংলাপকে, সেটকে এবং চরিত্রদের বিকৃত করে যে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন বিজেপি নির্মাণ

Read More »
৩৬৫ দিন Exclusive
Avinash

প্রধানমন্ত্রীর পদ ব্যবহার করে বিজেপির প্রচার করছেন মো

মমতার গর্জন, বিজ্ঞাপনেও লিখছে প্রধানমন্ত্রীর রোড শো ৩৬৫ দিন। আগামীকাল মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির রোড শো উত্তর কলকাতায়। নির্বাচন চলাকালীন প্রধানমন্ত্রীর ব্যাচ লাগিয়ে এই রোড

Read More »
Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Email
Print

মোদি শাহের নয়নের মণি রামদেব মহা সংকটে

পতঞ্জলির ১৪ পণ্যের লাইসেন্স বাতিল

 

৩৬৫ দিন। সময়টা ভালো যাচ্ছেনা যোগগুরু রামদেবের। প্রিয় শীর্ষাসনেও নাকি তিনি এনার্জি পাচ্ছেন না। একদিকে বাক্সবন্দী হয়ে পড়ে আছে গোমূত্র, গোবরের বিস্কুট কিংবা ঘাসপাতার কেশতেল, গাছের ছালের দাঁতের মাজন, তার ওপরে আবার ১৪ টি পণ্যের লাইসেন্স বাতিলের নোটিশ। একের পর এক ধাক্কা। সুপ্রিম কোর্টের কাছে কানমলা খেয়ে, করজোড়ে ক্ষমা চেয়েও হচ্ছে না। এবার নিজভূমে অর্থাৎ উত্তরাখণ্ডের প্রশাসন পতঞ্জলির ১৪ টি পণ্যকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, সেগুলোর লাইসেন্স বাতিল করল। একই সঙ্গে রামদেব ও তার সহযোগী বালকৃষ্ণর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করল উত্তরাখণ্ড সরকার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৫ এপ্রিল রাজ্যের লাইসেন্সিং অথরিটি পতঞ্জলির ১৪টি পণ্য উৎপাদন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। সেই সঙ্গে হরিদ্বারের আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি আধিকারিক ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছেন যোগগুরু রামদেব ও তাঁর সহকারী আচার্য বালকৃষ্ণর বিরুদ্ধে। পতঞ্জলির বিরুদ্ধেও আলাদাভাবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। কদিন আগেই বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের মামলায় সম্প্রতি প্রবল অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছে রামদেব ও তাঁর সংস্থাকে। বার বার সুপ্রিম কোর্ট ভর্ৎসনা করেছে তাঁদের। গত মঙ্গলবার সংবাদপত্রে ক্ষমা চায় পতঞ্জলি। কিন্তু শীর্ষ আদালতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, রামদেবের ক্ষমাপ্রার্থনা নাকচ করা হল। কারণ ক্ষমা চাওয়ার ভঙ্গিমা মোটেও আন্তরিক ছিল না। পরের দিন আবারও সুপ্রিম কোর্টের কাছে ক্ষমা চান রামদেব। বিশ্বের অন্য কোনোও রাষ্ট্র হলে মিথ্যে অসুখ সরানোর নামে রামদেব ও তার সংস্থার এই ভেজাল ওষুধ বিক্রির শাস্তি হত মৃত্যুদণ্ড। এবার আদালতের বাইরেও অস্বস্তিতে পড়তে হল যোগগুরুকে। কিন্তু তিন বছর আগে পর্যন্ত যিনি মোদির ব্লু আইড যোগগুরু ছিলেন, তার এই উল্কার মত পতন কেন? রীতিমত রামদেবকে রোল মডেল বানিয়ে ফেলা হয়েছিল। ২০১৯ সালে স্বয়ং অমিত শাহ তাকে নিয়ে নিয়ে রাজনীতিক মিটিং করেছেন। ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় ভাজপা রমদেবকে জয়প্রকাশ নারায়ণের মত মানুষের নেতা বলে উল্লেখ করে। ক্ষমতায় আসার পর উত্তরাখণ্ড এ সনাতন ভারতীয় ঔষধি নির্মাণে রামদেবকে বিনামূল্যে ২০০০ একর জমি দেয় বিজেপি সরকার। ২০১৯ নির্বাচনেও রামদেবের লক্ষ লক্ষ অনুরাগীর সাপোর্ট চেয়েছেন, মোদি, শাহ, পেয়েছেন। জেড প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা দেওয়া হয় তাকে। আজ সেই রামদেব কানমলা খাচ্ছেন। কেন?

 

রামদেবকে প্রমোট করে ভাজপা

 

এতদিন মোদি, অমিত শাহরা পূর্ণ সমর্থন দিয়ে এসেছেন রামদেব এবং তাঁর ভন্ডামিকে। মিথ্যে হিন্দুত্বের হওয়া দেশজুড়ে তুলে রাখতে রামদেব ছিল অন্যতম হাতিয়ার। বিশ্ব যোগ দিবসের পরিকল্পনা তারই মস্তিষ্কপ্রসূত।

 

দেশের প্রতিটি কোণে টেলিভিশনে ভোর থেকে রাত রামদেবের প্রমোশন, গ্রামে গঞ্জে পতঞ্জলির আউটলেট, টেলিভিশনের বিখ্যাত সব রিয়েলিটি শোতে হেটমুন্ড ঊর্ধপদ সার্কাস, সেলিব্রেটিদের হামলে পড়ে সেলফি, এ সবই হিন্দুত্বের হওয়া তোলার পরিকল্পনার অংশ। সেটা বাড়তে বাড়তে এই জায়গায় পৌঁছে যায় যে, সরাসরি রামদেব দেশের ন্যাশনাল ডক্টরস মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। বিজ্ঞান নাকি বিশ্বাস?

এই জায়গায় চলে যায় যুদ্ধ। মহামারীর প্রথম ঢেউ পর্যন্ত মোদি নিজে থালা বাজিয়ে, ভাজপা নেতৃত্ব গোমূত্র খাইয়ে কো ভাইরাসকে রোখার প্ল্যান করেছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ঢেউ সব উল্টে দেয় হিসেব। মহামানব রামদেব নিজে কোভিডে কাবু হয়ে পড়েন। ততদিনে মোদি, অমিত শাহরা রামদেবের থেকে সরে গিয়েছেন। যে রামদেবকে প্রমোট করে ২০১৩ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দেশে সনাতন চিকিৎসা, আয়ুর্বেদ, ভেষজ এর রমরমা ঘটিয়ে একটা হিন্দু জাগরণ ঘটিয়েছিল ভাজপা, সেই রামদেবকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে ভাজপা। কিন্তু কেন? মনোহরের দিয়ে যাওয়া তথ্য অনুযায়ী অংকটা জটিল।

 

রামদেব ভাজপা সম্পর্কে চিড়

 

সেই ২০২০ সালে পিএম রিলিফ ফান্ড এ অর্থ না দিতে চাওয়ার পর থেকেই কি রামদেবের এই রাহুর দশার শুরু? নাকি আরও অন্য কোনও রহস্য? উত্তরাখণ্ডের একটি আঞ্চলিক সংবাদপত্রের সাংবাদিক মনোহর রই বছর দুই আগে রামদেব এবং কেন্দ্রীয় ভাজপার মধ্যে দূরত্ব না মনোমালিন্যের কারণ তুলে ধরেন। ফলে তাকে চাকরি হারাতে হয়। কিন্তু মনোহরের যুক্তি এবং বিশ্লেষণকে এখন মেনে নিচ্ছে রাজনীতিক মহল। মনোহর সেই প্রতিবাদী মানুষ যিনি উত্তরাখণ্ডের পাহাড়, জঙ্গল এবং ন্যাচারাল রিসোর্স সমৃদ্ধ বিপুল জমি বিনে পয়সায় রামদেবকে ব্যবসা করার জন্য প্রতিবাদ করেছিলেন। মনোহর তার চাকরি খুয়েইছেন, কাগজ উঠে গিয়েছে, তিনিও মহামারীতে প্রয়াত হয়েছেন। কিন্তু শেষ দিন পর্যন্ত কোভিড রুখতে রামদেবের গোমূত্র ওষুধ কাউকে খেতে দেননি।

 

ক) রামদেবের ইচ্ছে ছিল জাতীয় রাজনীতিতে আসার। কিন্তু সেটা কোনও কারণে গৃহীত হয়নি। গেরুয়া পোশাক পরা, এই যোগগুরুকে একবার অনেকের থেকে বেশি হিন্দু দেখালে মুশকিল। তখন আরেকজনকে বিশ্বগুরু করে তোলার কাজ চলছে কূটনৈতিক মহলে। ফলে রামদেবের প্রথম ধাক্কা ২০১৯ সালেই।

 

খ) পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ বেশি মাইলেজ পেতেই ফুঁসে ওঠে ওষুধ সংস্থারা। কারণ তারা ইতিমধ্যেই বিপুল টাকার বন্ড কিনে ফেলে ভাজপার পকেটে টাকা ঢুকিয়েছে।

 

গ) করোনার সময় যখন বিপুল টাকা দিয়ে দেশে ভ্যাকসিন কেনা হচ্ছে তখন রামদেব পাল্টা কোভিড নাশক বড়ি নিয়ে এল। চাপ বাড়ল ভাজপার। ঘ) পতঞ্জলির ৮৭ টি কনজিউমার ও ফুড প্রোডাক্টস এর সঙ্গে আদানির প্রোডাক্ট এর টক্কর হচ্ছিল। এর মধ্যেই ফরচুন ব্র্যান্ড কিনে নেয় আদানি। যেটা নিয়ে বিড করেছিল আদানিও। কিন্তু রামদেবের সংস্থার হাতছাড়া হয় ব্র্যান্ড। প্রোডাক্টের মার্কেট শেয়ার নিয়ে জোর টক্কর, আদনির পাশে কেন্দ্রের ভাজপা দাঁড়ায়, রামদেব সাইড হয়ে যায়।

Scroll to Top