৩৬৫ দিন।রাজ্যের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও উচ্চপ্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক বদলির নতুন নির্দেশিকা আপাতত থমকে গেল কলকাতা হাইকোর্টের অন্তর্বর্তী নির্দেশে।ফলে যে মাস্টার মশাই যেখানে কর্মরত রয়েছেন, সেখানে কাজ চালিয়ে যেতে পারবেন।
উল্লেখ্য,গত ২৪ জুলাই শিক্ষা দফতর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ‘উদ্বৃত্ত’ হিসাবে চিহ্নিত করে বদলি করার জন্য যে সংশোধিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর জারি করেছিল, তার কার্যকারিতার ওপর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিতাদেশ দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। মামলাটি করেন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাতের বনমালীপুর সন্তোষ ভট্টাচার্য মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ইংরেজির শিক্ষিকা সোমা সরদার। ২০১৩ সাল থেকে ওই স্কুলে কর্মরত সোমাকে উদ্বৃত্ত দেখিয়ে অন্য স্কুল বেছে নেওয়ার নির্দেশ দেয় শিক্ষা দফতর। সোমার আইনজীবী উজ্জ্বল রায় আদালতে জানান, ইংরেজি সব শিক্ষার্থীদের জন্যই আবশ্যিক বিষয় এবং ওই স্কুলে তিনি একমাত্র পাস গ্র্যাজুয়েট ইংরেজি শিক্ষক। স্কুলের প্রকৃত শিক্ষক-চাহিদা, ছাত্রসংখ্যা ও বিষয়ভিত্তিক কাজের চাপ বিবেচনা না করেই তাঁকে উদ্বৃত্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আইনজীবী উজ্জ্বল রায় জানান, এই স্থগিতাদেশের ফলে জুলাইয়ের এসওপি-র ভিত্তিতে স্কুল বাছাই, বদলি এবং আনুষঙ্গিক সমস্ত পদক্ষেপ আপাতত থমকে গেল। একই এসওপি-র আওতায় উদ্বৃত্ত ঘোষিত ও বদলির মুখে পড়া রাজ্যের বহু শিক্ষক-শিক্ষিকাও এই নির্দেশের সুফল পেতে পারেন।



