৩৬৫ দিন। ২০০৬ সালে শালবনীতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কনভয়ে মাইন বিস্ফোরণ দিয়ে বাংলায় মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে তারা যেভাবে যুক্ত হয়েছিলেন অবশেষে তার অবসান হতে চলেছে 2026 সালে। অবশেষে আত্মসমর্পণ করতে চলেছেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলা ও ঝাড়খণ্ডের জঙ্গলমহলে হিংসাত্মক মাওবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকা তিন মাওবাদী নেতা নেত্রী।
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, আত্মসমর্পণ করতে চলেছে শীর্ষ মাওবাদী দম্পতি রামপ্রসাদ মাণ্ডি এবং মিতা ওরফে নয়নতারা। যাদের মাথার দাম রাখা হয়েছিল ২৫ লক্ষ টাকা। দ্রুত তারা আত্মসমর্পণ করবে বলে জানা গিয়েছে। ঝাড়খণ্ডের পূর্ব সিংভূম জেলার পটমদা থানার ঝুঁঝকা গ্রামের বাসিন্দা তথা সিপিআই (মাওবাদী) বাংলা-ঝাড়খণ্ড-ওড়িশা আঞ্চলিক কমিটির সদস্য রামপ্রসাদ মাণ্ডি। এবার একে-৪৭ ত্যাগ করে মূলস্রোতে ফিরতে চলেছে বলে সূত্রের খবর। রামপ্রসাদ মাণ্ডির স্ত্রী মিতা শাহু ওরফে নয়নতারা। তার বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া গ্রামে। এখন সিপিআই (মাওবাদী) পূর্ব সিংভূম এরিয়া কমিটির সদস্য। তার মাথার দাম ছিল ১০ লক্ষ টাকা। মিতা ব্যবহার করত ইনসাস রাইফেল। কিষেনজির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল রামপ্রসাদ মাণ্ডি। লালগড় আন্দোলনে সাঁকরাইল থানায় হামলা, শিলদা ইএফআর ক্যাম্পে হামলা, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কনভয়ে হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছিল রামপ্রসাদ। এই দম্পতির পাশাপাশি আত্মসমর্পণ করতে চলেছেন মাওবাদী নেত্রী জবা মাহাতো।




