৩৬৫ দিন। বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি। নদীয়া: হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর আত্মহত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতাল চত্বরে। মৃতের নাম তপন ঘোষ। তিনি কৃষ্ণনগরের শক্তিনগর অঞ্জনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে তিনি মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত তিন দিন আগে হঠাৎ জ্বর আসে তপন ঘোষের। জ্বরের পাশাপাশি শারীরিক অসুস্থতাও দেখা দেয়। জ্বর না কমায় এবং শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শনিবার সকালে নিজের বাড়িতেই তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসতেই তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর হাসপাতালেই তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়।
পরিবারের দাবি, চিকিৎসার পর রবিবার সকালে তাঁর শারীরিক অবস্থা কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছিল। সেই সময় তিনি বাথরুমে যাওয়ার কথা বলে চিকিৎসাধীন জায়গা থেকে বেরিয়ে যান। তাঁর ছেলে বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। কিন্তু বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেলেও তপন ঘোষ বাথরুম থেকে বেরিয়ে না আসায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়।এরপর দরজা খুলে তাঁকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান তাঁর ছেলে। হাসপাতাল কর্মীদের বিষয়টি জানানো হলে দ্রুত চিকিৎসক ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁকে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
হাসপাতালের মধ্যেই এই ঘটনায় মুহূর্তের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর দেওয়া হয় কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতিতে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়।
এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে,হাসপাতালের মতো নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় কীভাবে এই ঘটনা ঘটল এবং এর পিছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে কৃষ্ণনগর কোতোয়ালি থানার পুলিশ। মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আত্মঘাতী রোগী, কৃষ্ণনগর শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে চাঞ্চল্য,




