হোটেল রেস্তারাঁয় খাবার নিয়ে অভিযোগ জানাতে টোল ফ্রি নম্বর চালু করল হুগলি জেলা প্রশাসন ই মেলেও জানানো যাবে অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

৩৬৫ দিন। সামনেই দুর্গাপুজো তারপর লম্বা উৎসবের মরসুম খুব স্বাভাবিক ভাবেই উৎসবের দিনে হোটেল রেস্তোরাঁয় যাতায়াত বাড়বে। বাড়তি লাভ রাখতে যাতে হোটেল রেস্তোরাঁ থেকে রোড সাইড ধাবা বা ফুড স্টল গুলো খাবারে ভেজাল মেশাতে না পারে বা বাসি খাবার খাওয়াতে না পারে তার জন্য হুগলি জেলা প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ করল। ইতিমধ্যে গোটা রাজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে হোটেল রেস্তোরাঁয় অভিযান যেমন চলার তেমন চলবে তার সঙ্গে এবার নাগরিকদের-ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে হেল্প লাইন নম্বর চালু করল হুগলি জেলা প্রশাসন। টোল ফ্রি নম্বর চালুর পাশাপাশি থাকছে ই মেল আইডি। জেলা প্রশাসন জানাচ্ছে এত বড় জেলার সব প্রান্তে লাখ লাখ খাবারের দোকানে পুজোর সময় প্রতিদিন নজরদারি সম্ভব নয় তাই কোথাও কোনো খাবারের দোকানে যদি ক্রেতারা দেখেন খারাপ খাবার দেওয়া হচ্ছে বা খাবারে ভেজাল মেশানো হচ্ছে তাহলে সঙ্গে সঙ্গে টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানালে প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। এর সঙ্গে নিয়মিত দোকানে দোকানে রেড যেমন চলার যেমন চলবে। ওই নম্বরটি হল ১৮০০১১২১০০। এই নম্বরে ২৪ ঘণ্টা অভিযোগ জানানো হবে বলে খবর।
এছাড়াও foodfafetywb@gmail.com এই ইমেল আইডি-তে অভিযোগ জানানো যাবে। হুগলির জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি বলেন, “খাদ্য সুরক্ষা অভিযান আগামী দিনেও চলবে। পুজোর সময় অনেক খাবার স্টল হয়। তারা যাতে স্বাস্থ্যবিধি মানে, সেটা দেখার পাশাপাশি খারাপ খাবার বিক্রি হলে সেজন্য অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারন মানুষ।” পরিসংখ্যান দিয়ে তিনি জানান, জেলায় ২৭০টি জায়গায় অভিযান চালানো হয়েছে।তার মধ্যে ২৫১টি জায়গায় বিধি না মানার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যা ৯২.৯৬ শতাংশ। ১৯টি ইউনিটের ব্যবসা বন্ধ করা হয়েছে। তিনজনের লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। ১৩ লক্ষ ৮২ হাজার টাকার খাদ্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৪৩৮ টাকার খাবার নষ্ট করা হয়েছে। প্রশাসন মনে করছে উৎসবের সময় এর বাইরেও আরো অনেক খাবারের দোকান রয়েছে যারা অসাধু উপায় নিতে পারে বিশেষ করে পুজোর সময় বহু খাবারের স্টল গজিয়ে ওঠে যাদের কোনও অনুমতিই থাকে না। এই সব স্টলে নজরদারি চালানো সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাই এবার প্রশাসনের সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সরাসরি যুক্ত করা হল।

Scroll to Top