দুর্গাপুরে উপড়ে ফেলা দেওয়া হল পন্ডিত জওহর লাল নেহেরুর মূর্তি

৩৬৫ দিন। দুর্গাপুরে উপড়ে ফেলা দেওয়া হল পন্ডিত জওহর লাল নেহেরুর মূর্তি। কংগ্রেসের অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের উপস্থিতিতে পন্ডিত নেহেরুর মূর্তি ক্রেন দিয়ে তুলে ফেলে দেওয়া হয় যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপি বলছে কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ে এই ঘটনা ঘটে। বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, দুর্গাপুরে হর্ষবর্ধন প্রাথমিক স্কুলের পাশে একটি মেডিটেশন সেন্টার রয়েছে। তার পাশে পন্ডিত নেহেরুর মূর্তি ছিল। রাখি বন্ধন উপলক্ষে সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক সহ বিজেপি নেতৃত্ব। তারপরেই দেখা যায় নেহেরুর মূর্তি তুলে ফেলা হয়েছে প্রথমে ওই মূর্তি কোথায় আছে তা খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না পরে দেখা যায় ওই এলাকার একটি পার্কে শুইয়ে রাখা হয়েছে নেহেরুর মূর্তি। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে সোরগোল পড়ে যায়। থানায় অভিযোগ জানায় এলাকার কংগ্রেস নেতৃত্ব। রবিবার কংগ্রেসের জেলা সভাপতি দেবেশ চক্রবর্তী বলেন, “এই অপমান সারা দেশের লজ্জা। নেহেরুর মূর্তি এই ভাবে ফেলে দেওয়া হবে! সেখানেই রাখিবন্ধনের অনুষ্ঠান হয়েছে। অনুষ্ঠানে দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়কও ছিলেন।’’ তাঁর হুঁশিয়ারী, ‘‘পণ্ডিত নেহরুর এই অপমান আমরা মানব না। পুলিশকে ২৪ ঘণ্টা সময় দিচ্ছি। এর মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হবে। নইলে আমরা আন্দোলনে নামব।”পাল্টা দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, ‘‘ওখানে কংগ্রেসের দুটো গোষ্ঠী রয়েছে। একটি গোষ্ঠী চোর তৃণমূলে যোগ দিয়েছে। তারাই জওহরলাল নেহরুর মূর্তি ফেলে দিয়েছে। আর তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে কংগ্রেস।’’ বিজেপির দাবি, তদন্ত হলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে বিষয়টি। পুলিশ জানাচ্ছে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। সিসিটিভি খতিয়ে দেখা‌ হচ্ছে। পুরনিগমের থেকেও জানতে চাওয়া হচ্ছে তারা ওই মূর্তি সরিয়েছে কি না।

Scroll to Top