৩৬৫ দিন। ফলতায় অপহৃত তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার হল নামখানায়। দুদিন আগে সেচ দফতরের কর্মী বুদ্ধদেব মন্ডল আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায়। তাঁর পরিবারের দাবি, সেচ দফতরের অফিসে কাজ করার সময় তাকে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন। ৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। তারপর থেকে বুদ্ধদেবের আর কোনো খোঁজ মিলছিল না।বৃহস্পতিবার নামখানার পাতিবুনিয়ার নদীর ধারে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, কেন বুদ্ধদেবকে অপহরণ করে একেবারে খুন করে ফেলা হল তার নিরপেক্ষ তদন্ত করুক পুলিশ। ঘটনার পেছনে যদি রাজনৈতিক কোনো কারণ থাকে তাও সামনে আসুক। বুদ্ধদেব মণ্ডলের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল ও বুদ্ধদেবের ভাই সন্দীপন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান, যেন পুলিশ দ্রুত বুদ্ধদেব হত্যা রহস্যের সমাধান করে দোষীরা যেন সাজা পায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, নিহত বুদ্ধদেব সেচ দফতরে কাজ করলেও এলাকায় তাকে সবাই তৃণমূল নেতা বলেই চিনতো। ভাদুড়া-হরিদাস অঞ্চলের তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ছিলেন তিনি। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, অপহরণ খুনের ঘটনার তদন্ত চলছে। একাধিক জায়গায় এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে যেমন মৃতের পরিবার অপহরণের কথা বললেও তার যথেষ্ট প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। তাহলে প্রশ্ন উঠছে তাহলে কি পরিচিত কারোর সঙ্গে স্বেচ্ছায় যান বুদ্ধদেব তারপর তাদের হাতেই খুন হয়ে যান। দ্বিতীয় হল কারা খুন করল বুদ্ধদেবকে। এই ঘটনায় ৪ জনকে পুলিশ আটক করেছে তাদের জেরা করা হচ্ছে যদিও খুব উল্লেখযোগ্য কিছু উঠে আসেনি এখনো। তৃতীয় কেন খুন? পুলিশ বলছে রাজনৈতিক কারণে খুন তা এখন-ই বলা যাবে না। ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে অপহরণ করে খুন কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত কোনো সম্ভবনাই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।
ফলতায় অপহৃত তৃণমূল কর্মীর দেহ উদ্ধার হল নামখানা সেচ দফতরের অফিস থেকে কি ভাবে অপহরণ প্রশ্ন পরিবারের


