শ্রীরামপুরে স্থগিত মমতার সভা

৩৬৫ দিন। শুক্রবার শ্রীরামপুরে মমতার সভা। পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চ শর্তসাপেক্ষে মিছিল বাদে শুধু সভার অনুমতি দেওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই ডিভিশন বেঞ্চে গেল রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চে মামলা বিচারাধীন থাকায় স্থগিত হয়ে গেল মমতার শুক্রবারের সভা। সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বিচারপতি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিশ্বদল ভট্টাচার্য। রাজ্যের বক্তব্য, সিঙ্গল বেঞ্চের রায় থেকে একটি অংশ বাদ দেওয়া হোক। বিচারপতি ঘুগে এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যকে বিকল্প জায়গা ঠিক করার নির্দেশ দেয়। যদিও শেষ পর্যন্ত মমতার শুক্রবারের সভায় স্থগিতাদেশই দেয় হাইকোর্ট। আগামীকাল শুক্রবার মামলার পরবর্তী শুনানি।
সিঙ্গল বেঞ্চে যা হল: অনুমতি দেয়নি পুলিশ, হুগলির শ্রীরামপুরে তৃণমূলের সভার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চ নির্দেশ দেয় শুক্রবার শ্রীরামপুরে তৃণমূল সভা ও রাজনৈতিক কর্মসূচি করতে পারবে। সেই সভা যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় তার জন্য পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করতে হবে। সূত্রপাত হয়েছিল চলতি সপ্তাহের গোড়ায়। তৃণমূলের তরফে হুগলির শ্রীরামপুরে একটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঠিক হয়, শ্রীরামপুর মাহেশের জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন স্থান থেকে শ্রীরামপুর কোর্ট পর্যন্ত মিছিল হবে। সেখানে উপস্থিত থাকবেন মমতা। কোর্টের যে মাঠ রয়েছে, সেখানে মিছিল শেষে সভা করবেন মমতা। পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হয়। যদিও আইনশৃঙ্খলাজনিত কারণ দেখিয়ে অনুমতি মেলেনি।
এরপর বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার। তৃণমূল অভিযোগ করে, অন্যায়ভাবে তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি আটকে দেওয়া হচ্ছে। এমনকি কর্মসূচি বানচাল করতে একাধিক প্রাক্তন কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করে তৃণমূল।

Scroll to Top