৩৬৫ দিন। রোহন রায় চৌধুরী। লোপেজ হাবাস কোচ হিসেবে কত বড় মাপের সেটা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। ভারতবর্ষের বিদেশি কোচেদের তালিকা করতে বসলে প্রথম ২ এর মধ্যে থাকবেন তিনি। এক নম্বরও হতে পারেন। ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে খেলেই ওমানে যেতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। সেই ম্যাচ কতটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে? চ্যালেঞ্জিং যে হবে তা হাবাস জানেন। তাই তিনি তৈরি। লাল-হলুদ কোচ বলেন, “পর পর ম্যাচ খেলতে হবে। তবে আমরা তৈরি। আশা করছি কারও চোট লাগবে না। চোটের জন্য পরিকল্পনা বদলাতে হবে না।” চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে নামার আগে ইন্টার কাশী ম্যাচকে অবশ্য প্রস্তুতি হিসেবে দেখছেন না হাবাস।
তাঁর কাছে দু’টি ম্যাচই সমান গুরুত্বপূর্ণ। দু’টিই জিততে চান তিনি। হাবাস বলেন, “প্রথম ম্যাচে জিতেছি। ভাল লাগছে। আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। তবে দুটো ম্যাচ সম্পূর্ণ আলাদা। কোনও সম্পর্ক নেই। তবে এখনও উন্নতির জায়গা রয়েছে। আমাদের এখনও উন্নতি করতে হবে।”২৩ অক্টোবর ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে আইএসএলে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল। তার পরেই উড়ে যেতে হবে ওমানে। সেখানে ২৭ অক্টোবর আল সিবের বিরুদ্ধে নামবেন এডমুন্ডেরা। তার আগে দলে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন হাবাস। পুণের বালেওয়ারি স্টেডিয়ামে ইন্টার কাশী ম্যাচের দু’দিন আগে সাংবাদিক বৈঠকে হাবাস বলেন, “পরিবর্তন তো করতেই হবে। তবে আমাদের দলে অনেক ফুটবলার আছে। সকলেই প্রথম একাদশে খেলার যোগ্য। তাই কোনও সমস্যা হবে না।” অল্প সময়ে পর পর এত ম্যাচ খেলার জন্য কোনও অজুহাত খাড়া করতে নারাজ হাবাস। তাঁর একমাত্র লক্ষ্য জয়। ইস্টবেঙ্গলের কোচ বলেন, “যে দল ট্রফি জিততে চায়, তাদের এগুলো নিয়ে ভাবলে চলবে না। সব রকম চ্যালেঞ্জের জন্য তাদের তৈরি থাকতে হবে। আমরা তৈরি।”চার্চিল ব্রাদার্সকে হারিয়ে আইএসএলের শুরুটা ভাল হয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। তবে সামনে কঠিন লড়াই। কারণ, এখন শুধু আইএসএলের কথা ভাবলে হচ্ছে না, কোচ আন্তোনিয়ো লোপেজ় হাবাসকে পরিকল্পনা সাজাতে হচ্ছে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ২-এর ম্যাচের জন্যই। তবে তিনি জানিয়েছেন, প্রতিটি ম্যাচের জন্য তাঁর দল তৈরি। কাশি দলে আগে কাজ করে এসেছেন হাবাস। তাদের চ্যাম্পিয়ন করেছেন। তবে সেটা নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের ক্ষেত্রে খুব একটা সুবিধে বা অসুবিধে কোনটাই যে হবে না পরিষ্কার করে দিয়েছেন তিনি। কাশি ম্যাচ সম্পূর্ণ একটা নতুন লড়াই। শক্তির বিচারে ইস্টবেঙ্গল এগিয়ে থাকলেও বিপক্ষকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছেন ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন কোচ। কাশি দলটায় বেশ কয়েকজন তরুণ ভারতীয় ফুটবলার আছেন যাদের গতি আছে এবং পরিশ্রম করতে পারেন। তাই ইস্টবেঙ্গল একদম যে কেক ওয়াক করবে সেটা নাও হতে পারে। তবে সব ঠিকঠাক চললে এই ম্যাচটা থেকে তিনটে পয়েন্ট পাওয়া উচিত ইস্টবেঙ্গলের।






