রিখটার স্কেলে তীব্রতা ৭ শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো তিব্বত
কম্পন অনুভূত অরুনাচলেও

৩৬৫ দিন। তিব্বতের রাজধানী লাসা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হলো বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়।ভারতীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটের দিকে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে আর্থকোয়েক নেটওয়ার্কস সেন্টার তথ্য দিয়েছে। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকুতে, ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার গভীরে। এর মাত্র কয়েক মিনিট পরেই, রাত ৮টা ২৯ মিনিটের দিকে অরুণাচল প্রদেশ থেকে প্রায় ৫০৫ কিলোমিটার উত্তর-উত্তর-পশ্চিমে আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি। এই ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল ১৫ কিলোমিটার নিচে। ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর এটিই এই এলাকায় সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।

ভূমিকম্পের তীব্রতায় এখনো বিশদে কোনও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি তবে অন্তত কয়েকশো ব্যক্তির আশঙ্কা করা হচ্ছে । ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে আছেন এখনও বহু মানুষ। হিমালয়ের উত্তর পাদদেশ এলাকার নেপাল-তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল হওয়ার ফলে তীব্র ভূকম্পনে কেঁপে উঠেছে তিব্বত, নেপাল, ভুটান, উত্তর পূর্ব ভারতের এমনকী দক্ষিণ ভারতেরও কোনও কোনও এলাকায় আবহাওয়াবিদদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উত্তর তিব্বতের নাগকু জেলার উচ্চ পার্বত্য এলাকায়, ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। উৎপত্তিস্থলের পাঁচ কিলোমিটারের মধ্যে গড় উচ্চতা প্রায় ৪ হাজার ৮৬৪ মিটার।হিমালয় সংলগ্ন এলাকায় ভূকম্পনের জন্য ফল্ট লাইনের বড় ভূমিকা থাকে। ভূত্বকের বিশাল খণ্ডকে টেকটোনিক ফল্ট বলা হয়। আর দু’টি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যে থাকা ফাটলকে ফল্ট লাইন বলা হয়। এর আগে এই হিমালয় এলাকার নেপালে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে যাতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ।

Scroll to Top