৩৬৫ দিন। সার নিয়ে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট এর কাছে এবার জবাদিহি করতে চলেছেন জ্ঞানেশ কুমারকে। তার আগে ইতিমধ্যেই সার এর পদ্ধতি নিয়ে আদালত ও রাজনৈতিকভাবে প্রবল চাপে নির্বাচন কমিশন (ই সি)।এর মাঝেই নতুন সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের।বি এল ও অ্যাপে নথি আপলোড করার নতুন অপশন যোগ করলো কমিশনা । এসআইআর পর্বে সর্বত্রই বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছন কমিশনের বুথ স্তরের আধিকারিক অর্থাৎ বি এল ও -রা। কমিশন বি এল ও অ্যাপে একটা নতুন অপশন দেয়। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া বা আপিল সংক্রান্ত বিষয়ে ভোটারদের জমা দেওয়া আপিলের সমর্থনে প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্র বা নথি অনলাইনে আপলোড করার জন্য অ্যাপে যুক্ত করা হয় নাম যুক্ত করার স্বপক্ষে দস্তাবেজ আপলোড (ডকুমেন্টস আপলোড এগেইনস্ট দি আপীল) করার অপশন।
বিভিন্ন চাপে পড়ে কমিশনের পক্ষ থেকে আগেই স্পষ্ট করা হয়েছিল, ডিলেটেড ভোটার অর্থাৎ বিবেচনাধীন যাঁরা নন, তারা ফর্ম ৬ পূরণের আবেদন করতে পারবেন। বি এল ও অ্যাপে নতুন অপশন দেওয়া হয়েছে। ডিলেটেড ভোটার যাঁরা আবেদন করবেন, তাঁদের নথি বি এল ও -রা আপলোড করতে পারবেন। সার এর শুরুর পর্যায়ে আপলোডের কাজ বি এল ও -রা করতেন। কিন্তু পরবর্তীকালে বিভিন্ন বিতর্কের পরে সেই আপলোড দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার আবার বি এল ও আপলোড করতে পারবেন।তবে ট্রাইব্যুনাল এর সঙ্গে যুক্ত না হলেও আপলোড করা নথি তারাও দেখতে পারবেন।কমিশনের যুক্তি মূলত বাদ পড়া ভোটারদের নথি যাতে সহজে বি এল ও ‘দের মাধ্যমে আপলোড করার সুবিধা করে দিতেই এই পরিবর্তন।
সার প্রক্রিয়ার ট্রাইবুনালের শুনানিতেও এই পোর্টালের বেশ কিছু সমস্যার বিষয় উঠে আসছিল। ট্রাইব্যুনাল বিচারকদের একাংশ ভারতের নির্বাচন কমিশনকে জানান যে ওই পোর্টালটির আইটি পরিকাঠামোয় বেশ কিছু গুরুতর সমস্যা রয়েছে। অ্যাপিল পোর্টালে অতিরিক্ত নথিপত্র আপলোড করার বা ভার্চুয়াল হিয়ারিং করার মতো পর্যাপ্ত ডিজিটাল সুবিধা না থাকার কারণে বিচার প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছিল বলেও ইতিমধ্যে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতিকে জানান ট্রাইবুনালের বিচারকদের একাংশ ।এদিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালগুলি ভোটারদের আবেদনের সত্যতা যাচাইয়ের পর নতুন কোনও নথি গ্রহণ করতে পারবে। কিন্তু পোর্টালের ইউসার ত্রুটির কারণে সরাসরি অনলাইন আপলোডের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখাটাই কঠিন হচ্ছিল।এই সব ত্রুটি দূর করে নথি আপলোড প্রক্রিয়ার সরলীকরণের জন্য অনলাইন সিস্টেমে বেশ কিছু বদল আনলো কমিশন।






