ওরাংওটাংয়ের পর এবার বেঙ্গল স্লো লরিস, 

৩৬৫ দিন। ওরাংওটাংয়ের পর এবার বেঙ্গল স্লো লরিস, রাজ্যে ক্রমশ সক্রিয়তা বাড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণ পাচার চক্র! মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালিয়ে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়েতে উদ্ধার হল বেঙ্গল স্লো লরিস শাবক। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে কল্যাণী-ব্যারাকপুর হাই ওয়েতে মঙ্গলবার অভিযান চালায় পুলিশ সঙ্গে ছিল বনদফতরের অফিসাররা। একটি বাইক দেখে পুলিশের সন্দেহ হয়। বাইকটিকে দাঁড়াতে বললে সেটি প্রথমে গতি বাড়িয়ে পালানোর চেষ্টা করে যদিও শেষ পর্যন্ত বাইকটিকে আটকে দেন পুলিশকর্মীরা। বাইকের দুই আরোহী সুজয় দাস ও ইন্দ্রজিৎ মুখার্জীকে জেরা করতে তারা অসংলগ্ন কথা বলতে থাকে। এর পর বাইকের ডিকি খুলতে সেখান থেকে একটি ব্যাগের মধ্যে ছোট আকারের প্লাস্টিকের ঝুরি উদ্ধার হয়। তাতেই লুকিয়ে রাখা ছিল বেঙ্গল স্লো লরিস টিকে।
দুজনকেই পুলিশ গ্রেফতার করে। উদ্ধার হওয়া লরিস শাবকটিকে বনদফতরের হাতে তুলে দেওয়া হয়। গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন বনদফতর। তারা বলছে, প্রথমে উদয়পুর-তালসারির বনাঞ্চল থেকে উদ্ধার হওয়া ওরাংওটাং আর এবার স্লো লরিস শাবক এক মাসের ব্যবধানে পর পর বন্যপ্রাণের চোরাচালান প্রমাণ করছে রাজ্যে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণ পাচার চক্র সক্রিয় হতে চেষ্টা করছে। তাদের অপচেষ্টা আপাতত রুখে দেওয়া গেলেও মূল মাথাদের এখনো ধরা যায়নি। তার ওপর স্লো লরিসের পাচারের ক্ষেত্রে যে দুজনকে ধরা হয়েছে তার মধ্যে সুজয়ের নামে আগেও বন্যপ্রাণ পাচারের মামলা রয়েছে। তবে এই স্লো লরিসটিকে কোথা থেকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল? এর সঙ্গে আলিপুর চিড়িয়াখানার কোনো যোগ রয়েছে কি না তা এখনো স্পষ্ট নয়। ধৃত দুজনকে জেরা করে এই সব তথ্য বের করার চেষ্টা হবে বলে জানাচ্ছে পুলিশ।

Scroll to Top