ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হল এক কৃষকের গলা কাটা দেহ

৩৬৫ দিন। ধর্ষণ খুন ও এনকাউন্টার কান্ডের পর ফের খুন গাইঘাটায়। এবার ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হল এক কৃষকের গলা কাটা দেহ। নিহতের নাম বাসুদেব দাস। এলকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত ছিলেন বাসুদেব। কে বা কারা কী কারণে তাকে খুন করল তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় নাড়ুগোপাল বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্দেহ এই নাড়ুগোপাল খুনের ঘটনায় জড়িত। বাসুদেবের স্ত্রী যে অভিযোগ করছেন তা চাঞ্চল্যকর। তার দাবি, নাড়ুগোপাল ও তার স্ত্রী ঋতুপর্ণা দুজন মিলে খুন করে বাসুদেবকে। তার কথায়, তার স্বামীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক ছিল ঋতুপর্ণার।‌
কিন্তু সম্প্রতি এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল বাসুদেব। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না ঋতুপর্ণা। সে তার ও বাসুদেবের ঘনিষ্ঠ ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে বাসুদেবকে ব্ল্যাকমেল করে প্রচুর টাকা গয়না হাতিয়ে নেয়। ভয়ে সব দাবি মেনে নেয় বাসুদেব। কিন্তু কয়েকদিন আগে ঋতুপর্ণা ফের তার থেকে টাকা দাবি করলে তা দিতে অস্বীকার করে বাসুদেব। এর পাল্টা ঋতুপর্ণা ঘটনার কথা তার স্বামী নাড়ুগোপালকে জানিয়ে দেয় ও তাকে দিয়ে বাসুদেবকে খুন করায়। পুলিশ‌ সূত্রে জানা যাচ্ছে, আপাতত খুনের সব রকম কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো সম্ভবনাই উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের অনুমান খুব সম্ভবত বুধবার ভোরে যখন বাসুদেব ক্ষেতে কাজ করতে যায় তখন তাকে আচমকা আঘাত করে নাড়ুগোপাল। নাড়ুগোপালের ক্ষেত বাসুদেবের পাশেই ফলে তার খুন করার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী। তবে সে একা বাসুদেবের গলা কেটে খুন করল নাকি তার স্ত্রীও এই ঘটনায় জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে একের পর এক ঘটনা ঘটতে থাকায় তটস্থ দশা গাইঘাটার।

Scroll to Top