কেরলমের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ চেয়ে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করল কংগ্রেস সরকার

৩৬৫দিন। কেরলমের (সাবেক কেরল) কংগ্রেস সরকার। কেরলমের আগে কোনও রাজ্য জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনেনি। সোমবারই এই প্রস্তাব বিধানসভায় পেশ করেন কেরলমের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। শাসক কংগ্রেস তো বটেই, বিরোধী বাম বিধায়কেরাও এই প্রস্তাবে সমর্থন জানান। প্রস্তাবে মূলত তিনটি দাবির কথা জানানো হয়েছে। এক, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ। এই বিষয়ে আর্জি জানানো হবে কেন্দ্রের কাছে। দুই, এসআইআর প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় ফিরিয়ে আনা এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার ‘ভুলত্রুটি’ সংশোধন করা। তিন, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন পুনরায় বদল করা। নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেলে প্রধানমন্ত্রী, লোকসভার বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে রাখা।

প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে এই আইনে বদল এনে নিয়োগ প্যানেল থেকে প্রধান বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে এই প্যানেলে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ নিয়ে আপত্তি জানানো হলেও সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কেন্দ্রের মতই এই ক্ষেত্রে প্রাধান্য পাচ্ছে। ১৪০ আসনের কেরলম বিধানসভায় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন শাসকজোট ইউডিএফের ১০২ জন বিধায়ক রয়েছেন। বিরোধী বামজোট এলডিএফের বিধায়কসংখ্যা ৩৫। আর বিজেপির তিন জন বিধায়ক রয়েছেন। এই প্রস্তাবে বিরোধী বামেরাও সমর্থন করেন।অতীতেও দক্ষিণের এই রাজ্যে রাজনৈতিক বিরোধিতা ভুলে একাধিক প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে কংগ্রেস এবং বামেরা। এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করিয়েছিল কেরলের তৎকালীন বাম সরকার। সেই প্রস্তাব সমর্থন করেছিল তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসও।

Scroll to Top