৩৬৫ দিন। বারবার নারীনিগ্রহের ঘটনায় উত্তাল বিহার। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনটি পৃথক ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা। জামুই, সমস্তীপুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এ বার আর এক জেলা বাঁকাতে মহিলা পর্যটককে জুতোপেটা, হেনস্থার অভিযোগ উঠল একদল যুবকের বিরুদ্ধে। শুধু তা-ই নয়, সেই ঘটনার ভিডিয়োও করা হয়। ৬ অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ভিডিয়োয় ৩ সেপ্টেম্বরের তারিখ দেখা গেলেও ঘটনার প্রকৃত সময় নিয়ে তদন্ত চলছে। পুলিশের সাইবার সেলের কাছে সেই ভিডিয়ো পৌঁছোয় ২২ সেপ্টেম্বর। তার ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে বৌসিঁ থানা। বাঁকার কাছে মন্দার পাহাড়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন এক মহিলা পর্যটক। অভিযোগ, সেখানে তাঁকে ঘিরে ধরেন ৬ যুবক।
মহিলার কাছে জানতে চান, কোথা থেকে এসেছেন, কেন এসেছেন ইত্যাদি। মহিলাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজও করছিলেন যুবকেরা। প্রতিবাদ করায় মহিলাকে জুতো দিয়ে মারধর করা হয়। অভিযুক্তদের মধ্যে কয়েক জন আবার সেই ঘটনার ভিডিয়ো করে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।পুলিশ সূত্রে খবর, মহিলা পর্যটক এবং তাঁর দুই বন্ধুর কাছ থেকে জোর করে ১৫০০ টাকা আদায় করেন অভিযুক্তেরা। তার পর তাঁদের এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকিও দেন। ভিডিয়োর সূত্র ধরে মহিলাকে শনাক্ত করা হয়েছে। চিহ্নিত করা হয়েছে অভিযুক্তদেরও। গত ১৯ সেপ্টেম্বর জমুইয়ে দশম শ্রেণির দুই ছাত্রছাত্রীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দুই নাবালককে আটক করা হয়েছে। পুলিশের সঙ্গে ‘এনকাউন্টারের’ পর ঘটনার ‘মূল’ অভিযুক্ত নন্দন যাদব এবং তাঁর সঙ্গী হরেরামকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সমস্তীপুরে ঠিক একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়। সেখানেও এক কিশোরীকে শ্লীলতাহানি এবং হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। দুই ঘটনা নিয়ে যখন সরগরম বিহার, সেই সময়েই বাঁকায় মহিলা পর্যটকের ঘটনা প্রকাশ্যে এল।




