৩৬৫দিন।রোহন রায় চৌধুরী। আগের বছর ইন্ডিয়ান সুপার লিগ ঘরে এসেছে। এবছর ডুরান্ড কাপ। কলকাতা লিগ আসবে কিনা সময় বলবে। ইস্টবেঙ্গলে এখন উল্টে দেখুন পাল্টে গেছে সময় চলছে। সহজ বাংলায় যার মানে খারাপ সময় কাটিয়ে ভালো সময়ের দিকে এগিয়েছে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের স্পেন থেকে আসা ডিফেন্ডার নাচো চোট লুকিয়ে এসেছিলেন এটা প্রমাণ হয়ে গেল। তাকে ছেড়ে দিয়েছে ক্লাব। এবার একজন বিদেশি স্ট্রাইকার প্রায় নিশ্চিত হওয়ার পথে ইস্টবেঙ্গলে। নাইজেরিয়ান ইফিয়ং জুনিয়র শোনা গিয়েছিল। কিন্তু সেটা কেন হল না জানা নেই। আবুবাকার নাম শোনা যাচ্ছিল। সেটাও হচ্ছে না। দ্রুত ষষ্ঠ বিদেশি সই করাতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। পোল্যান্ডের লুকাস জোলিনিস্কির সঙ্গে অনেকটাই কথা এগিয়েছে লাল-হলুদের। সই না হলেও এই পোলিশ ফুটবলারকে পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী থিঙ্কট্যাঙ্ক। চলতি মরশুমে তুর্কির টিয়ার টু’র ক্লাব সাকারাস্পোরে খেলেছেন তিনি। ৩৩ বছর বয়সি এই স্ট্রাইকার ছয় ফিটের উপর লম্বা। হেডিং বেশ শক্তিশালী। পোল্যান্ডে লিগে খেলার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। লুকাস বক্স স্ট্রাইকার। গোল পোচার হিসেবে যার সুনাম আছে। মাথাটা অসম্ভব ঠান্ডা এবং গোলের সামনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। শারীরিক ফুটবলও খেলতে পারেন। যদি তিনি লাল হলুদ জার্সির প্রত্যাশা এবং ওজন বহন করতে পারেন এবং যদি তার আগে থেকে চোট না থাকে তাহলে তার কোয়ালিটি চমকে দেবে। ইস্টবেঙ্গলের যা খেলার স্টাইল তার সঙ্গে এই ছেলেটা উপর দিকে একদম মানিয়ে যায়। এই কারণেই তাকে পছন্দ হয়েছে লোপেজ হাবাসের। তাছাড়া লুকাস টিম ম্যান এবং প্রয়োজনে সেকেন্ড স্ট্রাইকার হিসেবেও খেলতে পারেন। হাবাস বরাবর নিজের দলে এমন ফুটবলারদের পছন্দ করেন যারা কম করে দুটো জায়গায় খেলতে জানে। তবে এখন দেখার এই চুক্তির ঘোষণা ইস্টবেঙ্গল সরকারিভাবে কবে করে এবং লুকাস কত তাড়াতাড়ি ভারতে আসেন। কারণ ঘোষণা করলেই হবে না, একটা প্লেয়ারের জীবনে প্রথম অন্য একটা দেশে মানিয়ে নেওয়াটা সবচেয়ে বড় ব্যাপার। তাই এক্ষেত্রে লুকাস যত তাড়াতাড়ি কলকাতায় আসবেন ততই মঙ্গল লাল হলুদের জন্য।
অন্যদিকে প্রাক্তন কোচ অস্কারের অভিযোগ নিয়ে ময়দান যে সরগরম হয়েছে সেটা নিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব এবং ম্যানেজমেন্ট বেশি পাত্তা দেওয়ার প্রয়োজন মনে করছে না। একজন বাংলাদেশের প্রাক্তন সাংবাদিক জানিয়েছেন অস্কারের নাকি এটাই নীতি। তিনি যে দেশের ক্লাবে যতক্ষণ আছেন গুনোগান গাইবেন। ক্লাব বদলালেই পুরনো ক্লাবের নামে বাজারে বদনাম ছড়ানো পুরানো অভ্যাস তার। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের একটা মহল আলোচনা করছে যদি ইস্টবেঙ্গল রেফারি ম্যানেজ করেই চ্যাম্পিয়ন হত তাহলে ২২ বছর অপেক্ষা করল কেন? সেটা আগেই টাকা জোগাড় করে ভেতর ভেতর করতে পারত। এর পেছনে নির্দিষ্ট একটা চক্র আছে বলে মনে করছে লাল হলুদ সমর্থকরা। যদিও ক্লাবের তরফ থেকে এই ব্যাপারটাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন বোধ করা হচ্ছে না।
ইস্টবেঙ্গলে পোল্যান্ডের স্ট্রাইকার লুকাস! দ্রুত করা হবে ঘোষণা




