৩৬৫ দিন।অশোক কুমার মণ্ডল।ঝাড়গ্রাম। অবৈধ বালি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগে ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিক কে গ্রেপ্তার করল রাজ্যে দুর্নীতি দমন শাখা (এসিবি)। কনস্টেবলের পাশাপাশি তিন জন বালি ব্যবসায়ীর দালাল শান্তনু বারিক, দীপঙ্কর বারিক ও রবি বারিক কে গ্রেপ্তার করে এসিবি। ধৃতদের বাড়ি বাঁধগোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামসুন্দরপুর গ্রামে। মঙ্গলবার রাতে ঝাড়গ্রাম থানায় থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁদের। জানা গিয়েছে, ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার হয়েছে তাঁদের থেকে। গ্রেপ্তারের পর কলকাতার উদ্দেশ্যে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও জানা যায়।
সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, বর্ষাকালীন নদী থেকে বালি উত্তোলন বন্ধ থাকায় বালি মাফিয়া নদী থেকে বালি উত্তোলন করে বিক্রি ছক কষে। সেই মোতাবেক বালি পরিবহনের জন্য ট্রাক্টর পিছু টাকা আদায় শুরু করে বালি মাফিয়ার দালালরা। কোন ট্রাক্টর মালিক টাকা তোলার অভিযোগ জানায় দুর্নীতি দমন শাখার। সেই মোতাবেক দুর্নীতি দমন শাখার অফিসাররা এদিন বাঁধগোড়ায় হানা দিয়ে রবি ও দীপঙ্করকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে শান্তনু বারিকের সন্ধান পায় এবং তাঁর বাড়ি থেকে ট্রাক্টর মালিকদের থেকে আদায় করা টাকা উদ্ধার হয়। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা জানতে পারেন যে আদায় করা টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কোন এক কনস্টেবলকে দেওয়া হবে। যার ফলে অবাধে নদী থেকে বালি উত্তোলন করে ব্যবসা করা যায়। দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা বালি ব্যবসায়ী সেজে শান্তনুর সঙ্গে ঝাড়গ্রাম থানায় পৌঁছায় এবং একটিহ ব্যাগে করে নিয়ে আসা ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিকের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ। সেই সময়ে রতনকে হাতেনাতে পাকড়াও করে দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা।
বালি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ
ঝাড়গ্রাম থানার এক কনস্টেবলকে গ্রেপ্তার করলো দুর্নীতি দমন শাখা
- khabar365din
- August 26, 2026
- 2:37 pm
- No Comments




