তিব্বতে বাঁধ ভেঙে হরপা বানে বিপর্যয় নেপালেসরকারি মতে মৃত প্রায় শতাধিক

৩৬৫ দিন। রোদ ঝলমলে দিন। নীল আকাশে মাঝে মধ্যে ভেসে আসছে সাদা পেঁজা তুলোর মত মেঘ। কয়েকদিন বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির পর আকাশ সাফ হতেই কৈলাশের পথে ঢল নেমেছিল পর্যটকদের। রাস্তা দুর্গম কিন্তু মনোরম। রাসুয়া জেলায় ভোটেকোশী নদীর পাড় ধরে পর্যটকদের গাড়ি চলেছে।‌ আচমকা একটা বিকট শব্দ।‌ এই এলাকায় হোটেল রেস্তোরাঁ কিছু আছে। সবেতেই পর্যটক ঠাসা এই সময়। আচমকা অপ্রাকৃত শব্দে থমকে গিয়েছিল রাস্তার যান চলাচল। কি হয়েছে বোঝার আগেই তিব্বতের দিক থেকে ধেয়ে এল কাদা মাটির স্রোত।‌ প্রবল সেই স্রোতে চোখের নিমিষে উজাড় হয়ে গেল নেপালের ৬ টি জেলা। মানুষ, পশু, ঘর বাড়ি , হোটেল থেকে গাড়ি কোনো কিছুর অস্তিত্ব রইলো না। প্রায় আধঘন্টা পর যখন স্রোত কিছুটা কমল জলস্তর খানিকটা কমল তখন সেখানে শুধুই কাদা মাটি আর ধ্বংসস্তুপ। এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে তখন নেপাল সরকারের তথ্য বলছে ভোটেকোশী নদীতে হরপা বানে নিহত অন্তত ৭০, নিখোঁজ ৫০০। সংখ্যাটা আনুমানিক কারণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়া ৬ জেলার অধিকাংশ জায়গায় পৌঁছতেই পারেনি উদ্ধারকারী দল। ফলে কাদার স্রোতের তলায় যে কত লাশ চাপা রয়েছে তা অন্তত ৭২ ঘন্টা না কাটলে বলা সম্ভব নয়। নেপালের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী সেনার মতে, নিহতের সংখ্যাটা ১ হাজার ছাড়াতে পারে।

Scroll to Top