৩৬৫ দিন। বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি। নদীয়া বাজারে চিনির লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির কারণে চরম সংকটের মুখে পড়েছেন বাতশা, নকুলদানা ও মিছরি ব্যবসায়ীরা। কাঁচামাল ও উৎপাদন সামগ্রীর আকাশছোঁয়া দামের দরুন ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে বলে অভিযোগ প্রকাশ করেছেন এই পেশার সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীরা।৪০ বছর ধরে এই ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যবসায়ী শুভাশিস পাল জানান, চিনির দাম বর্তমানে প্রায় ৬৭ টাকা কেজিতে গিয়ে ঠেকেছে। অথচ বাতশা তৈরি করে তা পাইকারি বাজারে মাত্র ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। কেজিতে মাত্র দুই-তিন টাকা লাভে বা লসে কোনোমতে ব্যবসা চালিয়ে রাখতে হচ্ছে। শুধু চিনিই নয়, এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাঁচামাল ও ওষুধপত্রের দামও প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।তিনি আরও জানান, চিনির দাম কেজিতে প্রায় ২৫ টাকা বাড়লেও বাতশার দাম তারা মাত্র ১৫-২০ টাকা বাড়াতে পেরেছেন। বর্তমানে পাইকারি বাজারে বাতশা ৭৫ টাকা এবং এক নম্বর মিছরি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। খুচরো বিক্রেতারা বাজারে তা ৮৫ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করলেও তাদের বেচাকেনায় ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। সামনে বিশ্বকর্মা পূজা ও দুর্গাপূজার মতো বড় উৎসব। এই উৎসবের দিনগুলিতে কীভাবে ব্যবসা সামলে উঠবেন, তা নিয়ে চরম চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন ক্ষুদ্র এই ব্যবসায়ীরা।
চিনির আকাশছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধি!
সঙ্কটে বাতশা ও মিছরি ব্যবসায়ীরা
- khabar365din
- August 26, 2026
- 4:05 pm
- No Comments




