৩৬৫ দিন।বিশ্বজিৎ ব্যানার্জি। নবদ্বীপে ভেজাল দুধ তৈরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মহিশুড়ার ঘোষপাড়া কালভার্ট সংলগ্ন এলাকায় একটি কারখানায় ভেজাল দুধ তৈরির কাজ চলছে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন রাসায়নিক, পাউডার, ওষুধ, লিকুইড এবং তৈরি করা তরল দুধ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে কারখানাটি বন্ধ করে দেয় নবদ্বীপ থানার পুলিশ।স্থানীয়দের দাবী, দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকায় ভেজাল দুধ তৈরির কারবার চলছিল। তাঁর অভিযোগ, ২০ লিটার ভালো দুধের সঙ্গে ছানার জল, বিভিন্ন রাসায়নিক, ওষুধ ও অ্যাসিড মিশিয়ে প্রায় ১০০ লিটার তরল দুধ তৈরি করা হতো। পরে সেই দুধ প্যাকেট ও কন্টেনারে ভরে বিভিন্ন এলাকায় এবং ছোট দুধের সংস্থায় সরবরাহ করা হতো।
অভিযোগ, অভিযান চালানোর সময় কারখানার ভিতরে রাসায়নিক মিশিয়ে দুধ তৈরির কাজ চলছিল। ঘটনাস্থল থেকে কারখানার মালিকের ভাগ্নে বলে পরিচিত এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে বলে জানান শশধর নন্দী। তাঁর আরও দাবি, বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য দপ্তর এবং মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছেও লিখিত অভিযোগ জানানো হবে।তবে এই কারখানায় একটি দুগ্ধ উৎপাদক সমবায় সমিতির বোর্ড থাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।বোর্ডে আরও উল্লেখ রয়েছে, এই সমিতি ‘দি কিষান কো-অপারেটিভ মিল্ক প্রডিউসার্স ইউনিয়ন লিমিটেড’-এর অন্তর্গত। ফলে সমবায় সমিতির সঙ্গে ওই কারখানার কার্যকলাপের কোনও সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এই বিষয়ে সমিতি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা, উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর প্রকৃতি এবং কারখানাটি কীভাবে পরিচালিত হচ্ছিল—সব দিক খতিয়ে দেখছে নবদ্বীপ থানার পুলিশ। এই কারবারের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত রয়েছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।




