ট্রলার ডুবির আতঙ্ক কাটিয়ে ৩০ টন ইলিশ নিয়ে দীঘায় ফিরল মৎস্যজীবীরা বাজারে দাম কমার সম্ভবনা ইলিশের

৩৬৫ দিন। পর পর ট্রলার ডুবিতে ছড়িয়েছিল আতঙ্ক। সে সব এখন অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন দিঘা-শঙ্করপুরের মৎস্যজীবীরা। ট্রলার নিয়ে ফের সমুদ্রে যেতেই এবার জালে উঠলো টন টন ইলিশ। সূত্রের খবর, রবিবার ভোরে যে কটি ট্রলার মোহনায় ফিরেছে সেখানে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ টন ইলিশ উঠেছে।‌ আরো বেশ কিছু ট্রলার এখনো সমুদ্রে রয়েছে সেগুলো সোমবার সকালে ফিরলে আরো বেশ কয়েকটন ইলিশ আসবে বলে আশা করা হচ্ছে সব মিলিয়ে প্রায় ৫০ টনের কাছাকাছি ইলিশ আসার সম্ভবনা আছে। স্বভাবতঃই ভরা বর্ষায় ইলিশের জোগান বাড়ায় ব্যাপক খুশি মৎস্যজীবীরা। এই সুযোগে তারাও লাভের মুখ দেখবেন বলে আশাবাদী। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক কেজি ৯০০ গ্রাম ইলিশের দাম ১ হাজার ৩০০ থেকে ১ হাজার ৩৫০ টাকায় বিকোচ্ছে। আবার ৬০০, ৭০০ এবং ৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম প্রায় ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ৯০০ টাকার নিচেও বেশ কিছু ইলিশের দাম রয়েছে। তবে এক্ষেত্রে ইলিশের ওজন মাত্র ৫০০, ৬০০ গ্রামের। মৎস্যজীবীদের সংগঠন গুলো বলছে, এখন যে ইলিশ উঠছে তা বাজারে চলে এলে এই দাম বেশ কিছুটা কমতে পারে তবে সবটাই নির্ভর করছে চাহিদার ওপর।‌ যোগান‌ বাড়লেও যদি ইলিশের চাহিদা বাড়তেই থাকে তবে দাম সে ভাবে আবার নাও কমতে পারে। তবে দাম যাই হোক না কেন ইলিশের যোগানে আপাতত কোনো ঘাটতি হবে না। দিঘা ফিসারমেন অ্যান্ড ফিস ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস বলেন, “মরশুমের শুরুতে ইলিশ সেভাবে ছিল না বললেই চলে। তারপর মাঝে প্রায় ২৫-৩০ টন ইলিশ উঠেছিল। কিন্তু মাঝে একটা দুর্ঘটনা ঘটে যায়। সেই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মাছ ধরতে যেতে পারছিলেন না মৎস্যজীবীরা। যেসব ট্রলার দিঘা মোহনায় এসেছে, তাতে প্রায় ৩০ টনের বেশি ইলিশ উঠেছে।”

Scroll to Top