অস্ট্রেলিয়ার ঠাসা ক্রীড়া সূচি, আইপিএল মিস করতে পারেন কামিন্সরা

৩৬৫ দিন। অস্ট্রেলিয়ার ঠাসা ক্রিকেট সূচি। আগামী ১২ মাসে ২০টি টেস্ট ও ১৪টি সাদা বলের ম্যাচ আছে। এই ব্যস্ত সুচির মধ্যে ২০২৭ সালের আইপিএল উইন্ডো পড়ার কথা। ভারতের বিরুদ্ধে ৫ টেস্টের সিরিজও খেলবে ভারত। প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও আইপিএল খেলার সময় অসুবিধেয় পড়বে আইপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি দলগুলি। দেশের জন্য খেলার কারণে আইপিএলে খেলতে পারবেন না তাঁরা। তবে আইপিএল নিয়ে আশাবাদী দলের প্রধান কোচ অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড। টেস্ট ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচি থাকা সত্ত্বেও আইপিএলের কথা বিবেচনা করে ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের দিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে অস্ট্রেলিয়ান বোর্ড। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ২ টেস্টের সিরিজ দিয়ে নতুন মরসুম শুরু করছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ১২ মাসে ২০ টেস্ট ও ১৪ ওয়ান ডে-টি ২০ ম্যাচ খেলবে অজিরা। এর মধ্যেই ২০২৭ সালের আইপিএল হওয়ার কথা। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজ চলাকালীন আইপিএলের সময় পড়তে পারে। ক্রিকইনফোকে ম্যাকডোনাল্ড বলেন,“আইপিএল নিয়ে সবাই কথা বলতে শুরু করবে। ওই সময় কী করা যাবে, সেটা নিয়েও আলোচনা করা হবে। বিশ্বকাপের সেরা টুর্নামেন্টে আমাদের সেরা খেলোয়াড়রা খেললে খুব ভাল পারফরম্যান্স করে। তবে সবকিছুর মধ্যে ভারসাম্য দরকার।” বর্তমানে প্যাট কামিন্স, হ্যাজলউড, ক্যামেরন গ্রিন ও ট্র্যাভিস হেড রয়েছেন তালিকায়। ২০২৩ সালের অভিজ্ঞতাও এবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেবার আইপিএলে খেলেননি স্টার্ক ও হেড। এরপর বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল ও অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তাঁরা? তবে আগামী ১ বছর টানা টেস্ট থাকায় চিন্তিত দলের কোচ। তাঁর মতে, টেস্ট ম্যাচের সময় প্লেয়ারদের ফিটনেস ধরে রাখাই মূল লক্ষ্য দলের। দেশের হয়ে খেলা ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট – এই তুলনা অনেকে করলেও এখন দরকার শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া। অতীতে অস্ট্রেলিয়া সব সময় দেশের ক্রিকেটকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। সেটাই উচিত সব দেশের। এখন দেখার কামিনস, হেড, স্টার্কদের মতো তারকা ক্রিকেটাররা আইপিএল খেলতে পারেন কিনা।

Scroll to Top