২ প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুন

৩৬৫ দিন। এক জন দিনমজুর, অন্য জন ট্র্যাক্টরচালক। দুই প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামীকে খুনের অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে। তার পর তাঁর দেহ হ্রদে ফেলে দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে তেলঙ্গানার কামারেড্ডি জেলায়।পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম গুম্মারি কাঁসিরাম ওরফে চাকালি। তিনিও দিনমজুর। স্থানীয় একটি হ্রদ থেকে চাকালির দেহ উদ্ধার হয়। খুনের অভিযোগে কাঁসিরামের স্ত্রী গুম্মারি সবিতা এবং তাঁর দুই প্রেমিক চিন্তাকিন্ডি রামু এবং পসুপুলা সন্তোষকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রামু এবং সন্তোষের সঙ্গে একসঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন সবিতা।তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, গত ২৩ অক্টোবর কাঁসিরামকে মদ খাওয়ানোর নামে রামু এবং সন্তোষ ডেকে নিয়ে যান। তিন জনে মিলে মদ্যপান করেন। তার পর সন্তোষ একটি নাইলনের দড়ি দিয়ে কাঁসিরামের গলায় ফাঁস লাগিয়ে দেন। রামু হাত চেপে ধরে রাখেন। কাঁসিরামের মৃত্যু হলে তাঁর দেহ স্থানীয় হ্রদে ফেলে দেন। কাঁসিরামের হদিস না পেয়ে তাঁর বাবা পুলিশে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। পরে কাঁসিরামের দেহ হ্রদ থেকে উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে জানা যায়, তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করে জলে ফেলা হয়েছে।

তদন্তকারী এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কাঁসিরামের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা বলে চালাতে মদ খাওয়ানো হয়। যেন মনে করা হয়, মত্ত অবস্থায় জলে পড়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। কিন্তু ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতেই এই ঘটনা মোড় নেয়। কাঁসিরামের মৃত্যুর পর থেকেই হদিস মিলছিল না তাঁর স্ত্রীর। এখান থেকেই পুলিশের সন্দেহ বাড়ে। কাঁসিরামের স্ত্রীর খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। ৩০ অক্টোবর কাঁসিরামের স্ত্রীকে আটক করে পুলিশ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুই প্রেমিকের হদিস পায় পুলিশ। তাঁদেরও আটক করা হয়। খুনের ঘটনায় তাঁদের জড়িত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর গ্রেফতার করা হয় তিন জনকেই।

Scroll to Top