৩৬৫ দিন। আজ বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের নিজেদের যাত্রা শুরু করছে ইস্টবেঙ্গল। কলকাতা লিগ হাত ছাড়া অদ্ভুত নিয়মে। ইস্টবেঙ্গলকে মানসিকভাবে হয়তো কিছুটা ধাক্কা দিয়েছে। কিন্তু ওটা নিয়ে আর পড়ে থাকতে রাজি নয় লাল হলুদ। তারা সামনে তাকাতে চায়। হাবাস গুরুত্বপূর্ণ এবং সিনিয়র খেলোয়ারদের শিল্ড খেলতে ছাড়বেন না সেটা আগেই বলে দিয়েছিলেন কর্মকর্তাদের। কিন্তু তাকে বুঝিয়ে কর্মকর্তারা চেষ্টা করছেন যতটা সম্ভব শক্তিশালী দল খেলাতে শিল্ডে। কারণ গতবারও ইস্টবেঙ্গল ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। মোহনবাগানের কাছে হেরে রানার্স হয়েছিল টাইব্রেকারে। তাই এবার শিল্ড লেসলি ক্লডিয়াস সরণিতে নিয়ে আসতে মরিয়া তারা।
আইএফএ শিল্ড ২০২৬-এর মূল সূচিতে ইস্টবেঙ্গলের গ্রুপে মহমেডান স্পোর্টিং ছিল। কিন্তু মহমেডান প্রতিযোগিতা থেকে সরে যাওয়ার পর ক্যালকাটা কাস্টমস তাদের জায়গা নিয়েছে। ফলে ইস্টবেঙ্গল এখন ক্যালকাটা কাস্টমস এবং পঞ্জাব এফসির সঙ্গে গ্রুপে রয়েছে। পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, ২৪ সেপ্টেম্বর ক্যালকাটা কাস্টমসের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ খেলবে ইস্টবেঙ্গল। এরপর ৩০ সেপ্টেম্বর পঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামবে তারা। ইস্টবেঙ্গলের ৫৩ সদস্যের তালিকায় মোট পাঁচজন গোলকিপার, ১৭ জন ডিফেন্ডার, ২২ জন মিডফিল্ডার এবং নয়জন ফরোয়ার্ড রয়েছেন। তালিকায় বিদেশি ফুটবলারের সংখ্যা চার। কলকাতা ফুটবল লিগে ইস্টবেঙ্গলের রিজার্ভ দল ভালো পারফরম্যান্স করার পর তাদের একাধিক ফুটবলারকে এবার আইএফএ শিল্ডের মতো বড় মঞ্চে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। ফলে তরুণ ভারতীয় ফুটবলারদের নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।একই সময়ে ইস্টবেঙ্গলের সামনে রয়েছে ২০২৬-২৭ মরশুমের ইন্ডিয়ান সুপার লিগ এবং এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র ব্যস্ত সূচি। তাই বড় স্কোয়াড নিয়ে আইএফএ শিল্ডে অংশ নেওয়া দলের জন্য স্কোয়াড ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। হাবাস ডাগ
আউটে থাকবেন নাকি দেখা যাবে বিনো জর্জকে সেটাও পরিষ্কার নয়। তবে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে নামতে হলেও ভয় পেতে রাজি নয় ক্যালকাটা কাস্টমস। দুজন বিদেশি নিয়ে নামছে তারা। বিনা লড়াইয়ে ছাড়বে না কাস্টমস। শিল্ডের মতো ঐতিহ্যশালী টুর্নামেন্টে সুযোগ পেয়ে নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে চায় তারা।
ইস্টবেঙ্গলের সামনে আজ ক্যালকাটা কাস্টমস, দল নিয়ে ধোঁয়াশা হাবাসের





