আমরা কোনও ক্যাম্পাসে ঢুকব না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেও পুলিশ ঢুকবে না,
দেশের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যারা কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার
যাদবপুর নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান শমীকের

৩৬৫ দিন। আমরা কোনও ক্যাম্পাসে ঢুকব না, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরেও পুলিশ ঢুকবে না। কিন্তু যারা এ ধরনের কাজ করছে, তারা চিহ্নিত হবে। দেশের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে যারা কথা বলবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। এভাবেই সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে একাধিকবার রাজনৈতিক সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে দলের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেওয়াল লিখনকে কেন্দ্র করে চলতে থাকা রাজনৈতিক বিতর্কের প্রেক্ষিতে দলের অবস্থান স্পষ্ট করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কথিত দেশবিরোধী স্লোগান কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, যারা দেশের অখণ্ডতার বিরুদ্ধে স্লোগান দেয় বা দেশকে টুকরো করার কথা বলে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
কলকাতা পুর নির্বাচনে একাই লড়বে বিজেপি
আজ রবিবাসরীয় সকালে বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য যান বরানগরের বিধায়ক সজল ঘোষের বাড়িতে। সেখানে দীর্ঘক্ষণ রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় এবং উত্তর কলকাতার বিজেপি সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকে যে আসন্ন হাওড়া এবং কলকাতার পুর ভোট নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা স্বীকার করতে কোনরকম দ্বিধা করেননি তিনি। পুরভোটের আগে দলীয় কর্মী ও সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতাদের নিয়ে বিজেপির অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, শুধু হাতে বিজেপির পতাকা তুলে নেওয়া বা গেরুয়া আবির মাখলেই নির্বাচনের টিকিট নিশ্চিত হবে না। দলের অনুমোদন ছাড়া নিজেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরার প্রবণতা বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানান তিনি। দলের নাম ব্যবহার করে দখলদারি রাজনীতি নিয়েও সতর্ক করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, মানুষ পরিবর্তনের জন্য বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলের রং পরিবর্তনের জন্য নয়। এখন রাজ্যে বিজেপির পতাকা খোলার কেউ নেই, তথাকথিত বিরোধী দলের পতাকা লাগানোর লোক নেই।
তবে এর পাশাপাশি তৃণমূল ছেড়ে রাতারাতি এনসিপিআই নামক একটি অপরিচিত দলে যোগ দিয়ে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটে যোগ দেওয়া এনসিপিআই সাংসদরা যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সঙ্গে আসন সমঝোতা করে পুর নির্বাচনে লড়াইয়ের দাবি করে আসছেন তা উড়িয়ে দেন তিনি। বিজেপি-র রাজ্য সভাপতির কথায় একা ভোটে লড়ে জেতার মত ক্ষমতা রাখে বিজেপি।

Scroll to Top