৩৬৫ দিন। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম দিন উপলক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মতোই বাড়িতে ধর্মীয় রীতি মেনে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ভোগ নিবেদন করা হয় শিশু কৃষ্ণের উদ্দেশ্যে।তালের বড়া,তালের লুচি, মালপোয়া, হরেক রকম মিষ্টান্ন। শ্রীকৃষ্ণের জন্ম দিনে ভক্তরা নানা ভজন, ভক্তিগীতি করা হয়, সঙ্গে ধুম ধাম করে হয় পুজো পাঠ। কথিত আছে,দ্বাপর যুগে,ভাদ্র মাসের কৃষ্ণ পক্ষে শ্রীকৃষ্ণ জন্ম নেয়, বজ্রভূমিতে, যা মথুরা নামে পরিচিত। শিশু কৃষ্ণ কে হত্যা করার জন্য তার মামা কংস ষড়যন্ত্র করেন বলে জানা যায়।কংসের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করেন কৃষ্ণ। যিনি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে ভগবানের অবতার বলে পূজিত হন। সেই ধর্মীয় পরম্পরা বজায় রেখে এখনও বাড়ি থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জন্মাষ্টমী পালিত হয়ে আসছে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে।শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ, ইসকন সহ নানা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান জাঁকজমকপূর্ণ নানা অনুষ্ঠান করছে। কোথাও কোথাও সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠান পালন করা হচ্ছে।
‘মহা সমারোহে জন্মাষ্টমী
পালনে ইসকন কর্তৃপক্ষ’
ইন্টারন্যাশনাল কৃষ্ণ কনসাসনেস অর্গানাইজেশন জন্মাষ্টমী উপলক্ষে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। কৃষ্ণের হরিনাম গান করার পাশাপাশি সাধন ভোজনের ব্যবস্থা করেছে। মায়াপুরে দেশি বিদেশি ভক্তরা শ্রীকৃষ্ণের জন্ম দিনে আনন্দে মেতে ওঠেন। সনাতনী ধারা বজায় রেখে, নাম ভজনে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে সাধারণ ভক্তরা। কলকাতার মিন্টু পার্কে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে ভক্তদের ঢল নামে। কার্যতঃ এই উৎসব সব বয়সে র মানুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। ধুমধাম সহকারে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠান অতীতের রেকর্ড ছাপিয়ে গেছে। এবছর গত কয়েক বছরের তুলনায় আরও বেশি লোকসমাগম হয়েছে বলে দাবি ইসকন কর্তৃপক্ষের।




