ফরিদাবাদে বাজেয়াপ্ত বিস্ফোরক থেকে নওগাম থানায় বিস্ফোরণ
ফরেন্সিক পরীক্ষার সময় নিহত ৯ পুলিশ, আহত ৪৩
৩৬৫ দিন। হরিয়ানার ফরিদাবাদ থেকে উদ্ধার হওয়া বিপুল পরিমাণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেডের কিছু অংশ পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরের নওগাম থানায়, সেই বিস্ফোরকে আচমকা বিস্ফোরণে উড়ে গেল থানা, নিহত অন্তত ৯, জখম ২৩। নিহদের মধ্যে যেমন পুলিশকর্মীরা আছেন তেমন রয়েছেন ফরেন্সিকের কর্মীরা। সূত্রের খবর, ফরিদাবাদে যে ২৯০০ কিলো অ্যামোনিয়াম নাইট্রেড আটক করা হয়েছিল তার থেকে কিছুটা নওগাম থানা তাদের তদন্তের জন্য নিয়ে আসে। এই নওগাম থানাই প্রথম জইস-ই-মহম্মদের একটি পোস্টারের তদন্তে নেমে হরিয়ানায় অভিযান চালায়। যে সূত্র ধরে বেশ কয়েকজন চিকিৎসক গ্রেফতার হয়, তার পরবর্তীতে আবার দিল্লিতে বিস্ফোরণ ঘটে। অর্থাৎ গোটা ঘটনার সূত্রপাত এই নওগামেই। শুক্রবার রাতে ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির একটি দল সেই বিস্ফোরক পরীক্ষানিরীক্ষা করতে যান। তখন আচমকাই প্রবল বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। কার্যত ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয় থানা। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় থানা থেকে ছিটকে বেরিয়ে আসছে দেহের টুকরো। ৯ জনের মৃত্যুর খবর এখনো পর্যন্ত নিশ্চিত করা হয়েছে। ২৩ জন জখম অবস্থায় ভারতীয় সেনার ৯২ বেস হাসপাতাল এবং শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেসে ভর্তি রয়েছেন তাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তদন্তকারীরা মনে করছেন দু’ভাবে এই ঘটনা ঘটতে পারে। প্রথম এর পেছনে নাশকতা থাকতে পারে অর্থাৎ বিস্ফোরণ ঘটানো হয়ে থাকতে পারে আর দ্বিতীয় ফরেন্সিকের সময় অসতর্কতায় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। দুটি সম্ভবনাই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে থানা চত্বর সহ গোটা এলাকা খালি করে দেওয়া হয়েছে।
