নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শিলিগুড়ি পুরনিগম নির্বাচন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

৩৬৫ দিন। শিলিগুড়ি। নতুন বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শিলিগুড়ি পুরনিগম নির্বাচন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর। কলকাতার হাওড়ার পর শিলিগুড়ি পুরনিগম দখল নেওয়ার প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। শিলিগুড়ি পুরনিগমে গেরুয়া ঝান্ডা উড়বে। শিলিগুড়ি পুরনিগমের নাগরিক পরিসেবা নিয়ে অভিযোগ কানে আসতেই আচমকা পুর দপ্তর পরিদর্শনে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের নাম না করে লাল পার্টি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে এনে শহর ঘুরে বেড়িয়েছেন কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর। মঙ্গলবার উত্তরকন্যায় চা শ্রমিকদের নিয়ে প্রকল্প চালু ও প্রশাসনিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই দলীয় নির্ধারিত কর্মসূচি গণতন্ত্র বাঁচাও অরজকতা হটাও পদযাত্রায় শামিল হন। শিলিগুড়ি এয়ার ভিউ মোড়ে পদযাত্রা সমাপনের পর সেখানে জনসভা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন- কলকাতা হাওড়ার পর শিলিগুড়ি পুরনিগমে গেরুয়া ঝান্ডা উড়বে। কলকাতা হাওড়ার পর শিলিগুড়িতে ঢুকে পড়বো।
মুখ্যমন্ত্রী এদিন রাজনৈতিক সভা মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন- ফেব্রুয়ারি মাসে শিলিগুড়ি পুরনিগ্রাম নির্বাচন হবে। এরপরই তিনি বলেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের নাগরিক পরিষেবা নিয়ে বেশ কিছু অভিযোগ আমি জানতে পেরেছি। আর তাই মুখ্যমন্ত্রীর নির্ধারিত শিডিউলের মাঝপথে রাজনৈতিক সভা মঞ্চ থেকে গাড়ি ঘুরিয়ে পুরনিগমে পৌঁছান। অভিযোগের ভিত্তিতে পুরনিগমে গিয়ে সেখানকার প্রশাসক এবং কমিশনারও ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে প্রশাসক আর বিমলা, কমিশনার ভান্দাভাসী তেজা দীপক ও শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ ডাবগ্রাম ফুলবাড়ীর বিধায়িকা শিখার চ্যাটার্জী সহ বিজেপি শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অরুন মন্ডল এর উপস্থিতিতে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে নাগরিক পরিষেবা মান উন্নয়নের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন পুরো নিগমের আধিকারিকদের রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন-এই শহরে আর জায়গা নেই। সব পুরো বাড়িটা হয়ে গেছে। যাই হোক, এটা বড় ইম্পর্টেন্ট টাউন আফটার ক্যালকাটা, হাওড়া। ইটস ভেরি ইম্পর্টেন্ট সিটি( এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ শহর) শুধু রাজ্যের জন্য নয়, এটা নর্থ-ইস্টার্নের গেটওয়ে বলা যেতে পারে।তিনি বলেন- আমাদের পুর কমিশনার পুজোর আগে কাজে যোগ দিয়েছেন।অ্যাডমিনিস্ট্রেটর আছেন। আমি এমপি এবং টু এমএলএ আমরা তিনজন ভিডিও কনফারেন্স করেছি। আর যারা এত সময় ধরে মেম্বারস এবং আমার যারা রুলিং পার্টির পলিটিক্যাল ফাংশনারিজ, আপনি গিয়ে কর্পোরেশনের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিজেপির কার্যালয়ে তারা নানা ধরনের অভাব অভিযোগ জানিয়েছেন।

Scroll to Top