৩৬৫ দিন। রাজ্যের ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়া এবং সাধারণ ভোটারদের হয়রানি নিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে ডাকা
সর্বদলীয় বৈঠকে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করল বিরোধীরা। এসআইআর করে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা থেকে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন, এবার এসএসআর করে ফের ভোটার বাদের যে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছে কমিশন তার প্রতিবাদ জানাল বাম, কংগ্রেস এবং তৃণমূল। সর্বদলীয় বৈঠকের এই আবহের মধ্যেই পুরও ভোটে বিজেপির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ের ডাক দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। এদিনের সর্বদলীয় বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ, আইনজীবী অর্ক নাগ এবং সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়। বৈঠক শেষে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘এই বৈঠকে কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি।এসআইআর এর পর এসএসআর করে আরো বড় আকারে ভোটার নিধন যজ্ঞে পরিণত করতে চাইছে কমিশন। এসআইআর করে বাংলার মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া এখনো চলছে। এই কাজ সম্পূর্ণ না করে এবার এসএসআর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।’ একইসঙ্গে তৃণমূলের দাবি, লজিকাল ডিস্ক্রিপেন্সি, অ্যাড
জুডিকেশন এর নাম করে এখনো ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে, ৬ নম্বর ফর্মে তাদের আবেদন করতে দিতে হবে। একইসঙ্গে ৭ নম্বর ফর্মের অপব্যবহার নিয়েও সরব হয়েছে তৃণমূল। বৈঠকে কংগ্রেস অভিযোগ করে, প্রকৃত ভোটারদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত করার পরিবর্তে অযথা আদালত ও ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেসের সহ-সভাপতি প্রশান্ত দত্ত, সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় এবং সংগঠন সম্পাদক অজিতেশ পাণ্ডে। কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, যে সমস্ত ভোটারের নাম নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং যাঁরা ট্রাইব্যুনালে রয়েছেন, এসএসআর তাঁদের জন্য কোনও স্পষ্ট সমাধানের পথ উল্লেখ করেনি।



