কালীপূজোতে নিষদ্ধবাজি বাজেয়াপ্ত বাজিবাজারে নিষিদ্ধ হলো ফেল করা ১৮ বাজি

রাজ্যজুড়ে বাজেয়াপ্ত প্রায় ১০০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি , গ্রেফতার ৩

৩৬৫ দিন । কালীপুজো ও দীপাবলি আলোর উৎসব।তাই ২০২৪ থেকেই সুপ্রিম কোর্ট ও হাই কোর্ট এর বিভিন্ন রায়ের ফলে নিষিদ্ধ শব্দবাজির ওপর কড়াকড়ি শুরু করেছিল পরিবেশ , পুলিশ সহ অন্যান্য এজেন্সী । স্বরাষ্ট্র সচিব সংঘমিত্রা ঘোষ গত বৃহস্পতিবার এই নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করার কথা বলার পরেই কলকাতা ও রাজ্যজুড়ে হানায় এখনো পর্যন্ত ১০০০ কেজি বাজি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। আলোর বাজির ক্ষেত্রে ৯০ ডেসিবেল ও শব্দবাজির ক্ষেত্রে ১২৫ ডেসিবেল শব্দসীমা ঠিক করে দিয়েছে আদালত ।এর বাইরে থাকা সব বাজিই নিষিদ্ধ। কালীপুজো ও দীপাবলিতে নিষিদ্ধ বাজি ফাটিয়ে বা নিষিদ্ধ বাজি পুড়িয়ে আনন্দ প্রকাশে এ বার কড়া হাতে লাগাম টানবে পুলিশ-প্রশাসন। নবান্নে স্বরাষ্ট্রসচিব সঙ্ঘমিত্রা ঘোষ এর পর রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তা জানান নিষিদ্ধ বাজি যাতে এ বার কোনও ভাবে বাজারে না–পৌঁছয়, তার জন্য পুলিশ উৎসস্থলেই বাজি বাজেয়াপ্ত করবে।সেইমতোই অভিযানে নেমেছে সব এজেন্সি ।

রাজ্য পুলিশ সূত্রে জানা গেছে সোমবার পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের পয়াগ গ্রামেও চলছে পুলিশি তল্লাশি অভিযান। ধারাবাহিক তল্লাশি অভিযানে মোট ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ বাজি উদ্ধার হয়েছে। সেই অভিযানের কারণেই গোটা গ্রামের কারিগর পুরুষরা গ্রেফতারির ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছে ।সোমবার পয়াগ গ্রামে পুলিশি অভিযানে প্রায় ২০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয়েছে এদিন। সপ্তাহ দুয়েক আগে এই গ্রামেরই বাজি ব্যবসায়ী রাজকুমার হাইতের বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। সেখানে অভিযান চালিয়ে মোট ৪০০ কেজি বাজি উদ্ধার হয়েছিল। ওই গ্রামেই ধারাবাহিকভাবে অভিযান চলছে। এখনও অবধি ৬০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি উদ্ধার হয়েছে ওই গ্রাম থেকে।
বেআইনি বাজি তৈরির অভিযোগে অভিযানে বারুইপুর জেলা পুলিশও ।শনিবার সকাল থেকে হওয়া হানায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার চম্পাহাটি, হাড়াল ও পিয়ালী এলাকার একাধিক বাজি তৈরির কারখানায় অভিযান চালায় পুলিশ। এ দিনের অভিযানে প্রায় ৪০০ কেজি নিষিদ্ধ শব্দবাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এ ছাড়াও, গ্রেপ্তার করা হয়েছে তিনজনকে।

 

Scroll to Top