৩৬৫ দিন। নতুনভাবে সেজে উঠবে কলেজ স্ট্রিটের বইপাড়া, কলকাতার চায়না টাউন, গঙ্গার ঘাট, মায়াপুরের ইসকন মন্দির চত্বর থেকে শুরু করে গঙ্গার দুপাশে কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন এলাকা। কলকাতার বস্তি এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশি ফুটপাত থেকে পরিকল্পনামাফিক হকারদের সরিয়ে দেওয়া হবে যথাযোগ্য পুনর্বাসন। পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত শহরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে কলকাতাতেও তৈরি হবে পৃথক সাইকেল চালানোর লেন ও পথচারীদের হাঁটার জন্য পর্যাপ্ত রাস্তা ও ফুটপাত। এমন বিভিন্ন অভিনব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় নগর উন্নয়ন দপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন সংস্থার পাশাপাশি অন্যান্য বিভিন্ন অভিজ্ঞ সংস্থার সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করল পশ্চিমবঙ্গের পুর ও নগর উন্নয়ন দপ্তর। সেই সঙ্গে কলকাতাকে বিশ্বের উন্নত শহরগুলির ধাঁচে ঢেলে সাজানোর জন্য বিভিন্ন অভিনব পরিকল্পনার কথা শোনালেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী
অগ্নিমিত্রা পাল।
মুম্বইয়ের মেরিন ড্রাইভের আদলে কলকাতার গঙ্গার দুই পাড়ের সৌন্দর্যায়ন ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলেজানান তিনি। কলকাতা পুরসভা এবং কেন্দ্রীয় নগর উন্নয়ন মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রণাধীন এনবিসিসি-র সঙ্গে এই প্রকল্পের জন্য মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। অন্যদিকে, মায়াপুরের ইসকন মন্দিরে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত ও পর্যটকের সমাগম হয়। তাঁদের সুবিধার্থে মায়াপুর এলাকার উন্নয়নের জন্য নবদ্বীপ পুরসভা, ইউএমডিএ এবং এনবিসিসি-র মধ্যে মউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। অগ্নিমিত্রা জানান, হকারদের ফুটপাত থেকে সরিয়ে অন্যত্র পুনর্বাসনের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় দোকান তৈরি করে দেওয়া যেতে পারে। বিদেশের বিভিন্ন শহরের মডেল
অনুসরণ করে ফুড পার্ক, নির্দিষ্ট সময়ের বাজার কিংবা টেন্টের মাধ্যমে ব্যবসার সুযোগ তৈরির ভাবনা রয়েছে। এমনকী, টোটোকেও দোকান
হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনার কথা উঠে এসেছে। ফুটপাতের উপরেই সমস্ত ব্যবসা করতে হবে, এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি, রাজ্যজুড়ে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ এবং হকারদের জন্য আধুনিক হকার জোন তৈরির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।রাজ্যের বিভিন্ন শহরাঞ্চলে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে তৈরি করা হবে পাবলিক টয়লেট। সেই লক্ষ্যে সুডা এবং কেএমডিএ-র মধ্যে মউ স্বাক্ষর করা হয়েছে। অন্যদিকে, ব্যাঙ্ককের আদলে ডেডিকেটেড হকার জোন বা ফেরিওয়ালাদের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবসার জায়গা তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হকারদের অন্যত্র পুনর্বাসন দিয়ে সরকারি উদ্যোগে আধুনিক দোকান তৈরি করে দেওয়ার পাশাপাশি ফুড পার্ক, নির্দিষ্ট সময়ের বাজার এবং টেন্টের মাধ্যমে ব্যবসার সুযোগ তৈরির ভাবনাও রয়েছে। বস্তি এলাকার উন্নয়নেও বিশেষ পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। দিল্লি, মহারাষ্ট্র ও গুজরাতের মডেল অনুসরণ করে বস্তিবাসীদের স্থায়ী বসবাসের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
কলেজ স্ট্রীটের সঙ্গেই সাজবে চায়না টাউন
স্বাক্ষর মন্ত্রীর
- khabar365din
- November 3, 2026
- 4:40 pm
- No Comments





