৩৬৫ দিন। ট্রাঙ্কুলাইজারের প্রভাব কাটতেই ধীরে ধীরে চনমনে হয়ে উঠছে বাঘিনী। বুধবার তাকে চিকেন ও ওআরএস দেওয়া হয়েছে। আপাতত ওপেন এনক্লোজারে ঘোরাফেরা করছে সে। রাজ্যের বনমন্ত্রী মনোজ ওরাওঁ জানিয়েছেন, প্রাথমিক নজরদারির পর খুব তাড়াতাড়ি আবার মূল এনক্লোজারে ছাড়া হবে। গ্রিন করিডর তৈরি করে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সড়কপথে বাঘিনিকে নিয়ে আসা হয় রাজাভাতখাওয়ার ২৫ মাইল টাওয়ার এলাকায় । বর্তমানে সেখানে বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের নির্দিষ্ট ওপেন এনক্লোজারে রাখা হয়েছে তাকে ।জানা গিয়েছে, অসমের কোকরাঝাড়ের
দোতমা এলাকার কাছ থেকে গাড়িতে করে বাঘিনিকে নিয়ে যাত্রা শুরু হয় । নির্দিষ্ট রুট ধরে রাতেই রাজাভাতখাওয়া পেরিয়ে বক্সার এনক্লোজারে পৌঁছয় বনদফতরের বিশেষ দল । দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ফের নিজের পুরনো ঠিকানায় ফিরল বাঘিনি । আপাতত এনক্লোজারে রেখে তার শারীরিক অবস্থা, আচরণ এবং পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করবেন বনদফতরের কর্মী ও বিশেষজ্ঞরা । বনদফতর সূত্রে খবর, গত ৩ নভেম্বর বিকেল প্রায় ৫টা ১৫ মিনিট নাগাদ অসমের কোকরাঝাড় জেলার দোতমার গিলাগুড়ি এলাকায় বাঘিনিকে ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করা হয় । প্রায় দুই ঘণ্টার অভিযানে অংশ নেয় পশ্চিমবঙ্গ ও অসমের বনদফতরের যৌথ দল। অভিযানে ব্যবহার করা হয় তিনটি কুনকি হাতি এবং একাধিক যন্ত্রপাতি । জাতীয় ব্যাঘ্র সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষের অনুমতি পাওয়ার পরই শুরু হয় এই বিশেষ অভিযান





