৩৬৫ দিন। থানাতেও এবার কালী পুজো হোক, প্রস্তাব দিলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। বীরভূমে বিজয়া সম্মিলনী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জগন্নাথ। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে থানায় কালী পুজোর পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন জগন্নাথ। যদিও তাঁর কোথায়, থানায় কালীপুজো করতে বলার পেছনে তার কোনও ধর্মীয় উদ্দেশ্য নেই। এটি বাংলার সংস্কৃতির অঙ্গ। পুলিশকে যেহেতু আইন শৃঙ্খলা সামলাতে হয় তাই তাদের ক্ষমতাশীল হতে হয় ক্ষমতা আসে শক্তি থেকে তাই কালীর উপাসনা জরুরী।
প্রসঙ্গ রঘু ডাকাত
পুলিশ স্টেশনে কেন কালীপুজো জরুরী তা বোঝাতে গিয়ে জগন্নাথ টেনে আনেন রঘু ডাকাতের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, রঘু ডাকাত কালী পুজো করে ডাকাতি করতে যেত, পুলিশ কালী প্রণাম করে দুষ্কৃতী ধরতে যাবে। পুলিশ প্রার্থনা করবে যাতে সে দুষ্টের দমন করতে পারে আর চোর ডাকাত দুষ্কৃতীরা ধরা পড়ার পর থানায় এসে কালী মূর্তির সামনে প্রার্থনা করবে যাতে দ্রুত ছাড়া পায়। জগন্নাথের কথায়, ‘‘এসপি সাহেবকে অনুরোধ করব, অন্তত বীরভূমের শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠের থানাগুলিতে কালীপুজো ভাল ভাবে হোক। থানাগুলিতে কালীমূর্তি থাকা দরকার, ভাল হবে।’’ বীরভূমে রয়েছে তারাপীঠ, কঙ্কালীতলা, ফুল্লরার মন্দিরের মতো শক্তিপীঠ। সেই প্রসঙ্গই মনে করিয়ে থানায় কালীপুজো করার কথা বলেন রাজ্যের মন্ত্রী। তাঁর যুক্তি হাসপাতালেও তো দেবদেবীর মূর্তি থাকে। পুজো হয়। চিকিৎসক থেকে রোগীর আত্মীয়রা সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনা করেন তাহলে থানাতে কালীপুজোয় আপত্তি কোথায়! এই নিয়ে জেলা পুলিশ সুপার বিদিত রাজ বুন্দেশের বক্তব্য জানা যায়নি। যদিও রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রীর বক্তব্যের বিরোধীতা করে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী কী পুলিশকে রঘু ডাকাত বলতে চাইছেন? পুলিশ কী রঘু ডাকাতের মত কালী প্রণাম করে আসামী ধরতে যাবে? তৃণমূল এ বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, কোনও পুলিশকর্মী ব্যক্তিগত ভাবে কালীপুজো করতেই পারেন। তবে থানাতে কালীপুজো করতে হবে এটা বলা ঠিক নয়।
থানাতেও এবার কালী পুজো হোক, প্রস্তাব দিলেন রাজ্যের উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী
- khabar365din
- October 30, 2026
- 2:16 pm
- No Comments






