৩৬৫ দিন। শিলিগুড়ি। প্রবল স্রোতে নৌকা চালিয়ে তিস্তায় ভেসে যাওয়া হস্তী শাবকের প্রাণ রক্ষা। মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিলেন নৌকচালক ও স্থানীয় মৎসজীবীরা। মৃত্যুর মুখ থেকে সন্তানকে ফিরে পেয়ে মা হাতির স্বস্তির সে বিরল দৃশ্যের সাক্ষী রইল গজলডোবা। সোমবার সকালে গজলডোবার তিস্তার স্রোতে ভেসে যেতে দেখা যায় একটি হস্তীশাবককে। শুঁড় উঁচিয়ে প্রাণের সংকট জানান দেয় শাবকটি। তার নজরে আসে উত্তরবঙ্গ মৎস্যজীবী ফোরামের সদস্যরা। এরপরই হস্তি শাবকের প্রাণ রক্ষায় চার কিলোমিটার নৌকা চালিয়ে পৌঁছয় মৎসজীবীরা। তারা জানান মালবাজার তিস্তা ব্যারেজ থেকে ক্রান্তি পেরিয়ে গজলডোবার কাছাকাছি কেউ এসে হস্তির শহরটিকে রক্ষা করা সম্ভব হয়। প্রায় চার কিলোমিটার এর বেশি এই পথ নৌক চালিয়ে হস্তি শাবককে মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেয় মৎস্যজীবী ও নৌকা চালকেরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় আপালচাঁদ রেঞ্জের বনদপ্তর। গজলডোবা ১২ নম্বর এলাকা থেকে সেটিকে উদ্ধার করা হয়। এরপর বনকর্মীদের চেষ্টায় তিস্তা এবং বনাঞ্চলে তীরবর্তী এলাকায় একটি নির্দিষ্ট স্থানে মা হাতির সঙ্গে হাতিশাবকটির পুনর্মিলন ঘটানো হয়। শাবকটিকে নিয়ে বনাঞ্চলে ফিরে যায় মা-হাতি। চার থেকে পাঁচ জন স্থানীয় ওই মৎস্যজীবী ও নৌকা চালকদের কুর্নিশ জানিয়েছে বনদপ্তর। নেটাগরিকদের মধ্যেও প্রশংশার ঝড় উঠেছে। জানা গিয়েছে, পাঁচজন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও নৌকাচালকেরা মিঠু দাস, রাজেশ দাস, বিশ্বনাথ দাস, রুপম দাস, বাবলি দাস।তারাই ৪ কিলোমিটার নৌকা চালিয়ে হস্তির শাবককে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।




