৩৬৫ দিন। পুলকার মালিক, চালক বনাম অভিভাবক লড়াইয়ে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল হিন্দমোটর নন্দনকানন।পুলকার চালকের মারে নাক ফাটল এক অভিভাবকের। মাথা ফাটল আরো একজনের। পাল্টা অভিভাবকরাই হামলা চালায় বলে দাবি অভিযুক্ত পুলকার মালিকের। ঘটনার সূত্রপাত সোমবার সকালে। হিন্দমোটর নন্দনকাননের বাসিন্দা বিপ্লবকুমার বিশ্বাস ৮ বছরের ছেলে স্থানীয় একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের ছাত্র। যাতায়াত করে পুলকারে। কয়েকদিন ধরে তাকে ওই পুলকারের কয়েকজন ছাত্র মারধর করছিল।
বিষয়টি জানতে পেরে পুলকারের চালককে অভিযোগ জানান বিপ্লব। কিছুটা কথা কাটাকাটি হলেও বিষয়টি মিটে যায় কিন্তু অভিযোগ সোমবার রাতে স্থানীয় একটি ক্লাবে গল্প করছিলেন বিপ্লব ও আরো কয়েকজন, তাদের মধ্যে অনেকের ছেলে মেয়েই পুলকারে যাতায়াত করে তাদের ওপর আচমকা হামলা চালায় পুলকারের চালক ও তার দলবল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের মাটিতে ফেলে বাঁশ রড দিয়ে পেটানো হয়। মারের চোটে বিপ্লবের নাক ফাটে। মাথা ফাটে হেমন্ত দাস নামে অন্য এক যুবকের । হামলা ঠেকাতে গিয়ে আহত হন বেশকয়েক জন স্থানীয় বাসিন্দা। চিকিৎসার জন্য তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। চিকিৎসার পর উত্তরপাড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন বিপ্লব। তিনি জানান,’ছেলেকে যাতে কেউ না মারে তার জন্য দেখতে বলেছিলাম। সামান্য বচসা হয়েছিল তার জন্য যে এ ভাবে হামলা হবে তা বুঝতেই পারিনি। পুলকারের মালিক চালক সহ ১৫ জন মিলেছে মেরেছে। সামান্য বিষয় নিয়ে এই আক্রমণ মেনে নেওয়া যায় না।” পাশাপাশি তাঁর দাবি, পুলকারগুলো চলছে তা একেবারেই বেআইনি। গাড়ির কোনও রেজিস্ট্রেশন, ইন্সুরেন্স, পলিউশন নেই। এই বিষয়েও প্রশাসনের নজর দেওয়া উচিত। অভিযোগ দায়ের পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে কয়েকজনকে। যদিও পুলকারের মালিক জানিয়েছেন ওই অভিভাবক গাড়ির চালককে গালমন্দ করেন। মারধরের হুমকি দেন। তার পাল্টা কেউ কিছু করে থাকতে পারে। এর সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই।




