৩৬৫ দিন।বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের মঞ্চেই উঠে এল বাংলার শিল্পায়ন, বাণিজ্যের প্রসার এবং কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গ। ১৪০ বছরের ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে মঙ্গলবার কলকাতার বেঙ্গল ক্লাবে বার্ষিক বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করল বঙ্গীয় জাতীয় বণিকসভা(বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি)।সেখ ানেই আমন্ত্রিত অতিথি বরাহনগরের বিধায়ক সজল ঘোষ শিল্পপতিদের উদ্দেশে বার্তা দেন।বলেন,শুধু সরকারের উন্নয়ন নয় যাতে চাকরির সুযোগ তৈরি হয় সেই কাজ করুন,সরকার সরকারের মতো পাশে দাড়াবে।তিনি বলেন,বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন,আমি আজ বাংলার গৌরী সেন,চাঁদ সওদাগড়দের বণিক সভায় এসেছি।আমি শুনছিলাম এখানে বলা হচ্ছিল,নতুন সরকার,নতুন উদ্দীপনা শুনুন এগুলো শিল্পপতিরা সব সময় বলে থাকে।এর আগে আমরা দেখেছি,আদানি বাংলায় এলেন।এসে বাংলার সম্ভাবনার কথা ফাটিয়ে বললেন।চলে যাওয়ার পর মমতাদি তাঁকে গালাগালি শুরু করতেন।আম্বানির ক্ষেত্রেও তাই দেখ তাম।আমরা এগুলো দেখেছি যে,শিল্পপতিরা এসে বলেছেন,নতুন সরকার রাস্তা দেখাচ্ছেন কিন্তু এরকম বললে হবে না।ব্যাপার ভীষণই সিরিয়াস।সরকার আপনার সঙ্গে হাত মেলাবে,তো সরকারের কি লাভ?সরকার চায় এমন কোনও শিল্পপতি আসুক যেখান থেকে চাকরির সুযোগ তৈরি হোক।যেখান থেকে আরও অপশন তৈরি হবে।
সেটাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।আপনাদের ১৪০ বছরের ইতিহাস।শুধু বেঙ্গল ক্লাবে পার্টি করার জন্য নয়। এদিন,শিল্প-বাণিজ্য থেকে প্রশাসন, চিকিৎসা, আইন এবং সংßৃñতি বিভিন্ন বিএনসিসিআইয়ের বিজয়া সম্মেলনীতে বিধায়ক সজল ঘোষ, সভাপতি ঋত্বিক দাস। ক্ষেত্রের বিশিষ্টজনদের উপস্থিতিতে সন্ধ্যার আসর কার্যত হয়ে উঠল এক মিলনমেলা। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নিজ নিজ ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ছয় বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সংবর্ধনা। বিজয়ার আবহে সৌজন্য বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলার অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদী শোনাল বণিকসভার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ঋত্বিক দাসকে। তাঁর বক্তব্য, এ বছর দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রেকর্ড ব্যবসায়িক লেনদেন হয়েছে। আসন্ন দীপাবলিতেও ব্যবসা-বাণিজ্যের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা বজায় থাকবে বলে আশা করছেন তাঁরা। নতুন হিসাবের খাতা খোলার রীতির প্রসঙ্গ টেনে ঋত্বিক বলেন, নতুন খাতা শুধু ব্যবসার সূচনা নয়, পুরনো সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করা এবং নতুন সম্ভাবনার দরজা খোলারও প্রতীক। বাংলায় শিল্পের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের বিকাশ এবং কর্মসংস্থান তৈরিতে রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করতে চায় বণিকসভা। তাঁর কথায়, শিল্পায়ন এবং সুস্থ অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে বণিকসভা সহযোগীর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের মন্ত্রী অশোক দিন্দা, কলকাতায় জাপানের কনসাল জেনারেল ইয়োশিহিসা ইশিকাওয়াবিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীতরুণজ্যোতি তেওয়ারি, ঋতেশ তেওয়ারি, সজল ঘোষ, অরিজিৎ বক্সি এবং কলকাতায় বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনের বাণিজ্যিক পরামর্শদাতা সাবরিন চৌধুরী।
শুধু সরকারি মুখাপেক্ষী নয়, কর্মসংস্থান বাড়ান
শিল্পপতিদের আবেদন সজল ঘোষের
- khabar365din
- November 5, 2026
- 7:37 pm
- No Comments






