৩৬৫ দিন। ইউপি আইয়ের লেনদেনের ওপর কোপ পড়তে পারে।এই নিয়ে আশঙ্কায় ছিলেন সাধারণ মানুষ।এই দোলাচল এর মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জারি করা হয়েছে, মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট। কেন্দ্রীয় সরকারের কথা অনুসারে,সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে ও ডিজিটাল ট্রানজাকশনে স্বচ্ছতা বজায় রাখার জন্য এই এই নতুন মার্চেন্ট ডিসকাউন্ট রেট ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে, ২হাজার টাকা পর্যন্ত পার্সন টু পার্সন ট্রানজেকশনে কোনও মূল্য দিতে হবে না। ২ হাজার টাকার বেশি বা তার লেনদেনের ওপরেও বাড়তি চার্জ লাগবে না। অর্থাৎ আড়াই হাজার টাকা বা তার বেশি লেনদেনের ক্ষেত্রে, এমনকি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দেওয়া- নেওয়ার সময় কোনও চার্জ পড়বে না। একমাত্র ব্যবসায়ীক কারণে আর্থিক লেনদেনের সময়, চার্জ পড়বে। তবে মার্চেন্ট পেমেন্টের ক্ষেত্রে ২হাজার টাকার বেশি লেনদেনে দিতে হবে০. ৪ শতাংশ চার্জ হবে। সাধারণত ব্যবসায়ী দের লেনদেনের ক্ষেত্রে, এই বাড়তি চার্জ গুণতে হতে পারে। ব্যবসায়িক বা অর্থবান মানুষের বেশি মাত্রায় অর্থ, রুপে বা অন্য কোনো কারণে লেনদেনের জন্য বাড়তি চার্জ পড়তে পারে। এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের ওপর সেভাবে প্রভাব পড়বে না বলে মনে করা হচ্ছে। ইউপি আই লেনদেনের ক্ষেত্রে ছোট ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের চার্জ পড়বে না– ইউপি আই লেনদেনের জন্য ছোট ব্যবসায়ী ও দোকানদারদের আপাতত কিউ আর কোডের মাধ্যমে ১ লাখ টাকার নীচে এম ডি আর থাকে তবে কোনো চার্জ দিতে হবে না।তার ওপর লেনদেনে চার্জ পড়বে।
এন সি পি আই নিয়ম অনুযায়ী, ৭৫ হাজার টাকা বা তার বেশি লেনদেনের সময়, সর্বোচ্চ এম ডি আর সীমা অনুযায়ী, ৩হাজার টাকা চার্জ করা হবে কোনও গ্রাহক যদি ৫০০০ টাকার কম লেনদেন করেন, তাহলে চার্জ পড়বে না।ফলে এই ইউপিআইয়ের এই নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী সাধারণ মানুষের বা ছোট কারবারিদের রেহাই মিলবে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, আগে ২০১৬ সালে, ইউপি আই লেনদেনে যুক্ত ছিল ৪৪টি ব্যাঙ্ক। ২০২৬ সালে ৭৪১ টি ব্যাঙ্ক এই লেনদেনে যুক্ত হয়েছে।


