ককরোচকে ব্যান করতে গিয়ে বিপাকে তামিলনাড়ুর টিভিকে সরকার

৩৬৫ দিন।বিতর্কের জেরে আগের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করল তামিলনাড়ুর টিভিকে সরকার। গত ১৪ অগস্ট সি জোসেফ বিজয় তলপতির সরকার তামিলনাড়ুর ককরোচ জনতা পার্টি (টিএনসিজেপি) এবং বাম দলগুলির ছাত্রবিক্ষোভে শামিল হতে নিষেধ করে পড়ুয়াদের। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই বিজয় সরকারের ‘অসাংবিধানিক’ নির্দেশিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপি নেতৃত্ব। বাম দলগুলিও এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়।
তামিলনাড়ুর কলেজশিক্ষা দফতরের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছিল, পড়ুয়াদের বিক্ষোভে শামিল হওয়া থেকে আটকাতে স্কুলশিক্ষা ও উচ্চশিক্ষা দফতর, পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনকে যৌথ পদক্ষেপ করতে হবে। এই ধরনের কর্মসূচিতে যোগদানের ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের নিরুৎসাহিত করার কথাও বলা হয় ওই বিজ্ঞপ্তিতে। এ-ও বলা হয় যে, এই বিষয়ে স্কুল এবং কলেজগুলি কী পদক্ষেপ করেছে, তা আগামী বৃহস্পতিবারের (২০ অগস্ট) মধ্যে জানাতে হবে। বিতর্কিত এই নির্দেশিকা বুধবার প্রত্যাহার করে নেয় তামিলনাড়ু সরকার।বিতর্কিত নির্দেশিকা নিয়ে শরিক দলগুলিকে পাশে না-পেলেও বিজেপির সমর্থন পেয়েছেন বিজয়। বিজেপি নেতা বিনোদ পি সেলভম ওই নির্দেশিকাকে সমর্থন করে সিজেপি এবং বাম দলগুলিকে ‘অস্থিরতার কুশীলব’ বলে কটাক্ষ করেন। তামিলনাড়ুর সিজেপি অবশ্য মূল সিজেপির থেকে পৃথক সংগঠন। তামিলনাড়ু ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সে রাজ্যের আইনজীবী সি ব্রহ্ম বালসুব্রহ্মণ্যম। ইতিমধ্যেই আঞ্চলিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার তোড়জোড় শুরু করেছে তামিলনাড়ুর সিজেপি। নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদনও করেছে। মূল সিজেপি-র আদর্শে অনুপ্রাণিত হলেও এ ক্ষেত্রে তাদের সঙ্গে অভিজিৎ দীপকে-দের অবস্থানের ফারাক আছে। কারণ দীপকে-দের সিজেপি অন্তত এখনই সক্রিয় রাজনীতিতে শামিল হতে চায়।

Scroll to Top