৩৬৫ দিন। জাতীয় সড়কের পাশে এবার যত্রতত্র যানবাহন পার্কিংয়ের দিন শেষ। বিদেশি অনুকরণে পরিবহন দফ্তরের উদ্যোগে পিপিপি মডেলে ‘স্মার্ট হাইওয়ে লজিস্টিক হাব তৈরী করছে রাজ্য। ফলে কলকাতা সহ আশেপাশের জেলাগুলি যানজট মুক্ত হবে অনেকটাই এমনই মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে বাড়বে শহরের গতি। এ প্রসঙ্গে পরিবহন মন্ত্রী অর্জুন সিং জানিয়েছেন, ‘ ইতিমধ্যেই কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে। ২০ টি জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। তারমধ্যে প্রথম পর্যায়ে হাইওয়ের পাশে ১০ টি জায়গায় এই হাব তৈরী করা হচ্ছে।’ দফ্তর সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই নকশাও তৈরী হয়ে গিয়েছে। এক একটি হাব তৈরী করতে খরচ পড়বে ১০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ ১০ টি হাবের জন্য মোট ১০০০ কোটি বরাদ্দ করতে হবে। স্মার্ট হাব তৈরিতে জমিও দেবে রাজ্য। কি কি সুবিধা থাকবে? জানা গিয়েছে, ট্রাক সহ বিভিন্ন যানবাহনের জন্য পার্কিং লট। গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণ কেন্দ্র এর জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকবে। চালক অন্যান্যদের থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা। গাড়ির চার্জিং পয়েন্ট। এমনকি পেট্রল পাম্পও থাকবে হাবের মধ্যে। সব মিলিয়ে এক ছাতার তলায় যানবাহন কেন্দ্রিক সব ব্যবস্থাই থাকবে স্মার্ট হাবে। এই হাব তৈরী হলে অনেকেই মনে করছেন, রাস্তার ধারে যেখানে সেখানে পার্কিং এর চাপ থাকবে না। তবে এই মুহূর্তে হাইওয়ের পাশে থাকা বিভিন্ন ধাবা বা হোটেল ব্যবসায় কিছুটা হলেও কোপ পড়তে পারে বলে ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা।
উল্লেখ্য,আগের সরকার এভাবেই পথসাথী প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার চেষ্টা করে। মহিলা সহ পথচারীদের কষ্ট লাঘবের সেই ট্রাডিশন আজও বজায় রয়েছে। দীর্ঘ যাত্রার ফলে যাঁরা ক্লান্তির মধ্যে পড়েন তাদের কাছে এইধরনের প্রকল্প বড় সাহায্য করে।পথের ধারে স্মার্ট হাবে এই গাড়ি চালকদের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা, গাড়ির চার্জিং পয়েন্ট সহ একাধিক ব্যবস্থাপনা দূরপাল্লার যান চালকদের পথের ক্লান্তি নিরসন করবে।আশা করা হচ্ছে,এই রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অত্যাধুনিক এই কেন্দ্র গড়ে উঠলে পরিবহণ শিল্পের বিকাশে সহায়তা করতে পারে। গতির যুগে যানবাহনের গতি বেড়েছে। ব্যস্ত সময়ে একদিকে খাবার খাওয়া আর অন্যদিকে জ্বালানি ভারত যাওয়া গাড়ি চালকদের সময় খেয়ে নিত।এবার এই হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত মানুষের মতোই অন্যান্যদের রোজগার বাড়ানোর পথ করে দিতে পারে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।





