দিন।খাদ্য সুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগে শহরের প্রায় ৪০খাদ্য বিপণি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড

৩৬৫ দিন।খাদ্য সুরক্ষা বিধি না মানার অভিযোগে শহরের  প্রায় ৪০খাদ্য বিপণি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড, বলরাম মল্লিকের একটি ব্রাঞ্চের, মির্জা গালিব স্ট্রিটের করিমসের একটি ব্রাঞ্চের, লাইসেন্স বাতিল,বিগ বস,নিজামের ও লাইসেন্স সাসপেন্ড, জানিয়েছেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে পুজোর আগে শহরের বিভিন্ন হোটেলে – রেস্তোরাঁর খাবারের মান পরীক্ষায় নেমেছে কলকাতা পুরসভা ও প্রশাসন। সেইমতো লাগাতার অভিযান চালানো হচ্ছে। ধারাবাহিক খাদ্যের গুণমান পরীক্ষার সময় অসংখ্য হোটেল – রেস্তোরাঁর খাবার নষ্ট করতে দেখা যায়। এবার শহরের বেশকিছু খাদ্য বিপণি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হল। বলরাম মল্লিকের একটি ব্রাঞ্চের, মির্জা গালিব স্ট্রিটের করিমসের একটি ব্রাঞ্চের,বিগ বসের এবং নিজামসের লাইসেন্স সাসপেন্ড করায় কথা জানান পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে। সোমবার রাত পর্যন্ত ৩১ টি সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়, মঙ্গলবার তা প্রায় ৪০ টিতে ছুঁয়ে যায়।
তিনি আরও জানান,’ সপ্তাহব্যাপী অভিযান চালিয়ে একাধিক রেস্তোরাঁর লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে।৫৯২টি জায়গায় ঘুরেছে কলকাতা পুরসভার বিশেষ টিম। খাদ্যের গুণমান না থাকায়, অস্বাস্থ্যকর খাবারের জন্য ১২২৪ কেজি খাবার নষ্ট করা হয়েছে। পুরসভার বিশেষ টিম স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে কিনা ,তা সবসময় নজর রাখছে।পুর আইনে লাইসেন্স বাতিলের সংস্থান নেই। আপাতত ২ সপ্তাহের জন্য লাইসেন্স সাসপেন্ড করা হয়েছে। পুজোর আগে একাধিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টে অভিযান নিয়ে ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। কারণ এভাবে নামীদামী সংস্থার লাইসেন্স সাসপেন্ড করার ফলে তাঁদের কাছে বড় ধাক্কা বলে মনে করছেন খাদ্য বিপণি সংস্থার কর্মকর্তারা। ইতিমধ্যে খাদ্য বিপণি সংস্থা আর্সেনাল এরমধ্যে বুধবার কলকাতায় তাদের একটি সাংবাদিক সম্মেলনের ডাক দিয়েছেন। সেখানে তাঁরা তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করবে বলে আশা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলেও এই বিষয়ে প্রতিক্রিয়া মিলেছে।

Scroll to Top