ককরোচদের আন্দোলনে জখম ছাত্রের এফ আই আর নিতে হবে পুলিশকে থানায়, ধর্নায় বসলেন রাহুল

৩৬৫ দিন। ককরোচদের ছাত্র আন্দোলনে গিয়ে পেলেট গানে জখম ছাত্রের এফ আই আর নিতে হবে দিল্লি পুলিশকে এই দাবিতে এবার থানায় ধর্নায় বসলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল।‌ ২০ জুলাই যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে পার্লামেন্ট চলো আভিযানের ডাক দেওয়া হয়। সেই অভিযানে যোগ দিয়েছিলেন সাহিল লোচভ নামে এক ছাত্র।‌ অভিযোগ, ওই দিন ছররা গুলিতে জখম হন তিনি। সফদরজঙের সরকারি হাসপাতাল-ও জানিয়ে দেয় সাহিলের শরীরে ছররা গুলির ক্ষত রয়েছে। এরপরেই বিষয়টি অন্য মাত্রা পায়। প্রশ্ন ওঠে ছাত্রদের আন্দোলনে কেন পেলেট গান ব্যবহার করা হল? কে অনুমতি দিল? এই ইস্যুতে ময়দানে নামেন রাহুল। রাহুল ইতিমধ্যেই সাহিলকে সঙ্গে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে সাহিলের শরীরের ‘পেলেট ইনজুরি’ দেখিয়েওছেন বিরোধী দলনেতা। শুক্রবার রাহুল ওই ছাত্রকে নিয়ে সোজা পৌঁছে যান পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায়। রাহুলের অভিযোগ,সাহিল ১৪ আগস্ট থানায় পেলেট গান নিয়ে অভিযোগ জানাতে গেলে তার এফ আই আর না নিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ১৭ আগস্ট সে ই মেল মারফৎ অভিযোগ জানালেও তার প্রাপ্তি স্বীকার করা হয়নি। শুক্রবার সাহিলকে নিয়ে সোজা থানায় পৌঁছে যান রাহুল। এফ আই আরের দাবিতে বসে পড়েন ধর্নায়। দিল্লি পুলিশ যদিও বলছে তাদের কোনও অফিসার পেলেট গান চালানোর নির্দেশ দেয়নি বা চালায় নি। ফলে তাদের বিরুদ্ধে এফ আই আর ভিত্তিহীন। সূত্রের খবর, ২০ জুলাই এক ডজনের বেশী পেলেট গান তুলে দেওয়া হয়েছিল র‌্যাফের হাতে। তারাই ছররা গুলি চালায়। র‌্যাফ সরাসরি দিল্লি পুলিশের অংশ না হলেও তারা দিল্লি পুলিশ এবং সিআরপিএফ-কে রিপোর্ট করে। এখানেই বিরোধীদের প্রশ্ন, দিল্লি পুলিশ অথবা সিআরপিএফের উচ্চ পদস্থ কোনও আধিকারিকের নির্দেশ ছাড়া কখনো কি র‌্যাফ ছররা গান ছুড়তে পারে? রাহুলের অভিযোগ দিল্লি পুলিশ যেহেতু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে তাই ছররা গুলি‌ ছোড়ার নির্দেশ এসেছিল অমিত শাহের মন্ত্রক থেকেই।

Scroll to Top