৩৬৫ দিন। অমিত বন্দোপাধ্যায়। যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে, হাওড়া স্টেশন ও সংলগ্ন এলাকার পরিকাঠামোকে উন্নত ও আধুনিক করার নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের রাষ্ট্র মন্ত্রী উমেশ রাই এই নব পরিকল্পনার বিষয়ে তৎপরতা শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন। বৈঠকে কে এম ডি এ – র সি ইও, হাওড়ার জেলাশাসক, হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কমিশনার, রেলের সিনিয়র ডিভিশনাল কর্মাশিয়াল ম্যানেজার উপস্থিত ছিলেন।
হাওড়া স্টেশন এলাকার এই গুরুত্বপূর্ণ সাবওয়ে পরিকাঠামো দীর্ঘদিন ধরে বিপুল সংখ্যক যাত্রীর যাতায়াতের পথে বড় ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রকল্পের নথি অনুযায়ী, হাওড়া মেন সাবওয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ মিটার এবং হাওড়া ফেরিঘাট সাবওয়ের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০ মিটার। এই সাবওয়ে হাওড়া স্টেশনের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে যাত্রী চলাচলের পাশাপাশি রেল পরিষেবার সঙ্গে কলকাতা মেট্রোর ইষ্ট ওয়েস্ট করিডর এর ষ সংযোগ এবং বাস ও ফেরি পরিষেবার সঙ্গে যাত্রীদের আন্তঃসংযোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ২৪ .৬৯ কোটি টাকার বেশি – বহু মুখী পরিকল্পনা গ্রহণ ও রূপায়ণের রূপরেখা – এই প্রকল্পের আওতায় সাবওয়ের স্থাপত্য ও অভ্যন্তরীণ পরিকাঠামোর উন্নয়নের পাশাপাশি যাত্রী নিরাপত্তা ও পরিষেবা ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে; পিভিসি প্যানেলযুক্ত ছাদ- গ্রানাইট টাইলস দিয়ে দেওয়ালের উন্নত ফিনিশিং। গ্রানাইট স্ল্যাবের মেঝে। ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড ও দিকনির্দেশক সাইনেজ। প্রবেশ ও বহির্গমন গেটে স্টিলের মেগা প্রকল্প।উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা। বিশেষভাবে সক্ষম যাত্রীদের সুবিধার্থে স্টেনলেস স্টিল হ্যান্ডরেল, ম্যুরাল ও হেরিটেজ ফটোগ্রাফের মাধ্যমে সৌন্দর্যায়ন। উমেশ রাই বলেন, হাওড়া স্টেশন শুধু হাওড়া নয়, সমগ্র কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পরিবহণ কেন্দ্র। তাই স্টেশন সংলগ্ন যাত্রী পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নমূলক কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
হাওড়ার আন্ডারপাসের ভোল পাল্টাতে বরাদ্দ ২৫ কোটি




