৩৬৫ দিন। শ্রীরামপুরে মমতার রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অনুমতি সংক্রান্ত মামলা ফের সিঙ্গল বেঞ্চেই ফেরত পাঠাল বিচারপতি শুভেন্দু? এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চ। দ্রুত রায় পুনর্বিবেচনা করে মামলার নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দিয়েছেন দুই বিচারপতির বেঞ্চ।শ্রীরামপুরে শুক্রবার মমতার জনসভা এবং মিছিল করার কথা ছিল। এই কর্মসূচিতে পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় জল গড়ায় হাইকোর্টে। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের সিঙ্গল বেঞ্চ জানায়, মমতা শ্রীরামপুরে সভা করতে পারলেও মিছিল করতে পারবেন না। মাহেশে জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন স্নানপিড়ি মাঠ মমতার সভার জন্য ধার্য করা হয়। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে বিচারপতি শুভেন্দু? এবং বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিশ্বদল ভট্টাচার্য।তিনি বলেন, রাজ্য সরকারের তৃণমূলের সভা নিয়ে আপত্তি নেই। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় মেনে পর্যাপ্ত পুলিশি ব্যবস্থাও থাকবে। কিন্তু মমতার সভাস্থল নিয়ে আপত্তি আছে তাঁদের। রাজ্যের যুক্তি, স্নানপিড়ির মাঠ সরকারি জায়গা নয়, সেটি ব্যক্তিগত সম্পত্তি। ওই মাঠের মালিক যদি তৃণমূল বা মমতার সভার জন্য জায়গা দিতে না চান তাহলে পুলিশ তো জোর করতে পারে না। জমির মালিকানা যাঁদের হাতে রয়েছে তাঁদের তরফেও আইনজীবীরা পৌঁছে যান। তাঁরা জানান, রাজনৈতিক সভার জন্য তাঁরা জমি দিতে চান না।আইনি মারপ্যাঁচে মমতার শুক্রবারের সভা স্থগিত হয়ে যায়। শুক্রবার দুপুরে শুনানি শুরু হতেই রাজ্যের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়, স্নানপিড়ির মাঠের পরিবর্তে রাধাবল্লভ মন্দিরের কাছে জলকল মাঠে মমতা সভা করতে পারেন। যদিও সেখানে সভা করতে রাজি হয়নি তৃণমূল। তাঁদের যুক্তি, ওই মাঠ রাজনৈতিক সভার পক্ষে উপযুক্ত নয়। মাঠটি ছোট, ২ হাজার লোক ধরবে না। তাছাড়া অবস্থানগত অসুবিধা আছে।শেষ পর্যন্ত মামলা ফের সিঙ্গল বেঞ্চে ফিরিয়ে দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চেই মমতার সভাস্থল ঠিক হবে, তারপর সভার দিন নির্ধারণ হবে।
“রাজ্যের প্রস্তাব মানবে না তৃণমূল”




