৩৬৫ দিন।বিশ্বজিৎ ব্যানার্জী।নদীয়া। মনের জোর আর সংগ্রাম সেই সঙ্গে কঠোর পরিশ্রমের সামনে যে কোনো প্রতিকূলতাই সহজ হতে বাধ্য, তা আরও একবার প্রমাণ পাওয়া গেলো। নদীয়ার গাংনাপুরের বাসিন্দা দেবজিৎ ভদ্র। সে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের একজন সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক থেকে সরাসরি জায়গা করে নিয়েছেন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা (ISRO)-তে।
সে দিনে ১২ ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স চালক হিসেবে ডিউটি করার পর ফাঁকে ফাঁকে চলত পড়াশোনা। ইউটিউব এবং কোচিং সেন্টারের সহায়তায় দীর্ঘ সময় ধরে নিজেকে প্রস্তুত করেছেন দেবজিৎ ভদ্র। ভারতে চন্দ্রযান উৎক্ষেপণের সাফল্য দেখে দেশের মুখ উজ্জ্বল করা প্রতিষ্ঠান ‘ইসরো’-তে কাজ করার স্বপ্ন জাগে ছিল তার মনে। বারবার ব্যর্থ হলেও হাল ছাড়েননি। পাঁচ-ছয়বার অকৃতকার্য হওয়ার পর অবশেষে নিজের অদম্য জেদে সাফল্য ছিনিয়ে এনেছেন।তিনি সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, শ্রীহরিকোটাতে ‘টেকনিশিয়ান বি’ পদে যোগ দিচ্ছেন ।মা চায়না ভদ্র জানান সংসারের অভাবের দিনেও তিনি ছেলেকে আশার আলো দেখিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ছেলের এই সাফল্য কষ্টের শ্রেষ্ঠ প্রতিদান।বাবা দীপক ভদ্র ছেলের এই নতুন যাত্রা ও পদে যোগদান পরিবারে বয়ে এনেছে খুশির হাওয়া ।স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা ভদ্র স্বামীর এই অর্জনে অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত।
দেবজিৎ ভদ্রের এই সাফল্য কেবল তাঁর পরিবারের নয়, বরং সমস্ত প্রতিকূলতা পেরিয়ে স্বপ্ন পূরণ করতে চাওয়া দেশের অজস্র তরুণ প্রজন্মের কাছে এক অনন্য অনুপ্রেরণা। চেষ্টা আর মনের জোড় থাকলে কোন কাজ থেমে থাকে না সেটাই প্রমাণ পাওয়া গেল।
অদম্য জেদ, অ্যাম্বুলেন্স চালক থেকে ইসরোর টেকনিশিয়ান নদীয়ার দেবজিৎ
- khabar365din
- August 25, 2026
- 1:02 pm
- No Comments





