শালবনি তে চৌবাচ্চার জলে ডুবে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রের মৃত্যু

৩৬৫ দিন। অশোক কুমার মণ্ডল, পশ্চিম মেদিনীপুর। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি ব্লকের চার  নম্বর বাঁকিবাঁধ অঞ্চলের জয়ফুলী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে জয়ফুলী সংলগ্ন ধ্যান্যসোল মাঠে রবিবার ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার বিকালে জয়ফুলী গ্রামের বাসিন্দা অসিত মাহাতোর একমাত্র পুত্র সৌম্যদীপ মাহাতো কে তার বাড়ির লোকেরা কোথাও দেখতে পায়নি।। তারা অনুমান করেছিল হয়তো সে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়েছে। ফুটবল খেলা শেষ হওয়ার পর ১১ বছর বয়সী পঞ্চম শ্রেণীর ওই পড়ুয়া কে  খুঁজে না পেয়ে মাইকে প্রচার করা হয়। কিন্তু তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। অবশেষে রবিবার রাত্রি প্রায় এগারোটা নাগাদ বাড়ির বাথরুম এর চেম্বার তৈরীর জন্য কাটা চৌবাচ্চার জলে তার নিথর দেহ ভেসে ওঠে। বৃষ্টিতে চৌবাচ্চা জলে ভর্তি হয়েছিল। অসাবধানবশত কোনক্রমে ওই চৌবাচ্চায় পড়ে পঞ্চম শ্রেণীর ওই স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।। সে স্থানীয় সীতানাথপুর সুকান্ত স্মৃতি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর পড়ুয়া ছিল।। ওই ছাত্রের অকাল মৃত্যুর ঘটনায় সোমবার সীতানাথপুর সুকান্ত স্মৃতি বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা শিক্ষা কর্মী ও ছাত্র-ছাত্রীরা ওই ছাত্রের আত্মার শান্তি কামনা করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নীরবতা পালন করেন এবং সকলেই শোক প্রকাশ করেন এরপর সোমবার বিদ্যালয় ছুটি দিয়ে দেয় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই সঙ্গে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীরা মৃত ছাত্রের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারবর্গকে সমবেদনা জানান।।অসিত মাহাতোর এক ছেলে ও এক মেয়ে। তাই একমাত্র ছেলের অকাল মৃত্যুর ঘটনায় অসিত মাহাতো সহ তার পরিবারের সকলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন। সোমবার মৃতদেহ  টি উদ্ধার করে শালবনি থানার পুলিশ মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। তবে ঠিক কি কারণে ওই স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে তা খতিয়ে   দেখার জন্য পুলিশ তদন্তের কাজ শুরু করেছে। যার ফলে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোটা এলাকা জুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।

Scroll to Top