পশ্চিমবঙ্গে পর্যটনের প্রসারে নব পরিকল্পনা, গার্ডেনরিচ শিপিং কর্পোরেশনের সঙ্গে ৪৫ কোটি টাকার চুক্তি স্বাক্ষর পর্যটন দপ্তরের

৩৬৫ দিন। রাজ্যের পর্যটনের উন্নতির লক্ষ্যে গার্ডেনরিচ শিপ বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের সঙ্গে নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করল পর্যটন দফতর।মোট ৪৫ কোটি টাকার এই মেগা প্রকল্পের ভার দেওয়া হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে থাকা এই সংস্থাকে। সূত্রের খবর,ইকো ফ্রেন্ডলি এই অত্যাধুনিক ডিজেল – ইলেকট্রিক ফেরির খরচ ধরা হয়েছে ২১ কোটি টাকা।দেশি- বিদেশি পর্যটকদের গঙ্গা বক্ষে বেড়ানোর সুযোগ করে দিতে এই নয়া প্রকল্প রূপায়ণের ভাবনা নেওয়া হয়েছে।যাতে পর্যটনের মতো সম্ভাবনাময় শিল্পের হাত ধরে রাজ্যের উন্নতি হয়, কর্মসংস্থান বাড়ে।
শনিবার গার্ডেনরিচ শিপিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের কর্তাদের হ আই তে এই ওয়ার্ক অর্ডার তুলে দেওয়ার অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, দফতরের প্রতি মন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী। গার্ডেনরিচ শিপিং কর্পোরেশন অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্সের চেয়ারম্যান কমোডর পি আর হরি(অবসরপ্রাপ্ত) । এছাড়াও অন্যান্য আধিকারিকরা অনুষ্ঠানে, উপস্থিত ছিলেন।
‘ইকো- ফ্রেন্ডলি জলযানের পরিষেবা  পর্যটনের উন্নতিতে সাহায্য করবে ‘
ইন্ডিয়ান রেজিস্টার অফ শিপিং দ্বারা অনুমোদিত এই ইকো -ফ্রিন্ডলি জলযানে ভ্রমণবিলাসীদের সফর আরামদায়ক হয়ে উঠতে পারে। আপাতত এই জলযানের পরিষেবা পর্যটকরা পাবেন দক্ষিণেশ্বর, ব্যারাকপুর ও চন্দননগরে।দেশি -বিদেশি মানুষেরা যাতে ধর্মীয় পর্যটনের প্রাণকেন্দ্র দক্ষিণেশ্বর, ফরাসি উপনিবেশ ও পুরনো সভ্যতার নিদর্শন বহন করা চন্দননগর এবং শিল্পাঞ্চল বলে পরিচিত ব্যারাক পুরকে পর্যটন মানচিত্রে যুক্ত করার নব পরিকল্পনা।
‘২টি  অত্যাধুনিক হাইব্রিড ডিজেল ইলেকট্রিক ফেরি কেমন হবে ?
পর্যটন দফতর সূত্রের খবর,এই ডিজেল ইলেকট্রিক ফেরির দৈর্ঘ্য হবে ২৪  মিটার ও প্রস্থ হবে ৮মিটার। ১০০ জন যাত্রী পরিবহণে সক্ষম এই জলযান। কোনো রকম  দূষণের সম্ভাবনা নেই। ইলেকট্রিক মোডে সর্বোচ্চ গতি ৯ নট এবং সম্পূর্ণ বৈদ্যুতিক মোডে গতি থাকবে ৭  নট।১৫ মাসের মধ্যে এই কাজ শেষ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে।

Scroll to Top