‘টিএমটি বার’ সরবরাহকারী ব্রোকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ৫০ লক্ষ টাকার সাইবার প্রতারণার অভিযোগ, গ্রেপ্তার প্রতারক

৩৬৫দিন। নিজস্ব প্রতিনিধি। ‘টিএমটি বার’ সরবরাহকারী ব্রোকার হিসেবে পরিচয় দিয়ে ৫০ লক্ষ টাকার সাইবার প্রতারণার অভিযোগ, পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থেকে গ্রেপ্তার প্রতারক। ওই প্রতারণার ঘটনায় হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার বিশেষ অভিযানে পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থেকে গ্রেপ্তার হন প্রতারক। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ‘টিএমটি বার’ সরবরাহের নামে ওই অর্ধ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণার ঘটনাটি ঘটেছিল। তদন্তে নেমে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে টাকাও। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের নাম স্নেহাশিস মান্না ওরফে নাট্রো (২৫)। ধৃতের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার দক্ষিণ মেচোগ্রামে। কিছুদিন আগেই অনলাইনে পাওয়া একটি মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করেছিলেন অভিযোগকারী। ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে ‘টিএমটি বার’ সরবরাহকারী ব্রোকার হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। তাঁর কথায় বিশ্বাস করে মাল কেনার জন্য অগ্রিম প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা নির্দিষ্ট একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠান অভিযোগকারী। কিন্তু অভিযোগ, টাকা পাওয়ার পরও কোনও সামগ্রীই সরবরাহ করা হয়নি। এমনকি টাকাও ফেরত দেওয়া হয়নি। এরপরই প্রতারিত ব্যক্তি হাওড়া সিটি পুলিশের সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ অভিযুক্তের সন্ধান পায়। হাওড়া সাইবার থানার একটি দল পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থানার পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে স্নেহাশিস মান্নাকে গ্রেপ্তার করে। অভিযুক্তের কাছ থেকে এখনও পর্যন্ত নগদে উদ্ধার হয় ২০ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা, ১৭টি ডেবিট কার্ড, দু’টি সিম-সহ একটি মোবাইল ফোন, তিনটি সিল করা অব্যবহৃত জিও সিমের প্যাকেট, চারটি ব্যবহৃত জিও সিম এবং একটি ব্যাঙ্কের চেক। পুলিশের দাবি, প্রতারণার টাকার মধ্যে ২৫ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা অভিযুক্তের সুবিধাভোগী ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ছিল। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সেই টাকাও ইতিমধ্যেই ‘হোল্ড’ করা হয়েছে। এই মামলায় এর আগে আরও ৭ জন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যারা বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছে। এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Scroll to Top