অমাবস্যার কোটাল সঙ্গে নিম্নচাপ নদী বাঁধে ভাঙন প্রবন এলাকায় সেচ দপ্তরের বাড়তি নজর

৩৬৫ দিন। নিজস্ব প্রতিনিধি। অমাবস্যার কোটালে নদীর জলস্তর বৃদ্ধির পাশাপাশি নিম্নচাপের প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে নদীতে জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। আর এই অবস্থায় নদী বাঁধের ভাঙ্গন নিয়ে নতুন করে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য উলুবেড়িয়া, শ্যামপুর সহ বিভিন্ন জায়গায় ভাঙন প্রবন জায়গাগুলোতে সেচ দপ্তর ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিয়েছে। সেচ দপ্তর নজর রাখছে স্লুইস গেট গুলোর উপরে। গত সপ্তাহে অমাবস্যার কোনালের ফলে নদীতে জলস্তর কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তার উপর নিম্নচাপের প্রভাবে দুদিন ধরে চলছে টানা বৃষ্টি।

জলমগ্ন শহর

এতে বাড়ছে নদীর জলস্তর। এদিকে উলুবেড়িয়া পুরসভার জগদীশপুর এর কাছে দু জায়গায় বড় বড় ভাঙ্গন রয়েছে এবং শ্যামপুরের বাসুদেবপুরেও বড় ভাঙ্গন রয়েছে। বর্ষা আর কোটাল দুটোতেই যাতে বাঁধের কোন ক্ষতি না হয় সেজন্য সেচ দপ্তর বাঁধের উপরে এবং পাশে কালো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিয়েছে যাতে বৃষ্টির জল বাঁধের মাটিতে প্রবেশ করে বাঁধ দুর্বল না হয়ে যায়। তার উপর নদীর জল ধাক্কা মারলে বাঁধের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই বাঁধের পাশে ও বাঁধের উপরে সেচ দপ্তর কালো ত্রিপল দিয়ে ঢেকে দিয়েছে যাতে নদীর জল বাঁধে সরাসরি ধাক্কা মারতে না পারে। পাশাপাশি নদীর পাড়ে বাঁশের খাঁচা পেতেছে সেচ দপ্তর। এছাড়া এই মুহূর্তে সেচ দপ্তরকে বেশি নজর দিতে হয়েছে খালের বা নদীর স্লুইস গেট গুলোর উপরে। সেচ দপ্তরে এক কর্তা বলেন কয়েকটি জায়গায় স্লুইস গেট খারাপ রয়েছে সেখানে বিশেষ প্রযুক্তি দিয়ে সুইস গেট গুলোকে ঠিক রাখতে হয়েছে। দেখতে হচ্ছে যাতে কোটালের জল ভেতরে না ঢুকতে পারে এবং বর্ষার জল যাতে ভাঁটার সময় বেরোতে পারে সেটা নজর রাখতে হচ্ছে। না হলে চাষিরা সমস্যায় পড়বেন।

Scroll to Top