৩৬৫ দিন। শিক্ষক স্বামীকে মার খেতে দেখে তাকে বাঁচাতে গিয়েছিলেন অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, দুষ্কৃতীরা তার পেটে লাথি মারে সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় রক্তপাত। শেষ পর্যন্ত বাঁচানো গেল না তাঁর গর্ভের সন্তানকে। শুক্রবার মৃত সন্তান প্রসব করেন তিনি। গোটা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা কোচবিহার জুড়ে। প্রশ্ন উঠছে, দুষ্কৃতীরা এত সাহস পাচ্ছে কোথা থেকে? সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ এই ঘটনায় চন্দন বর্মন ও মনোরঞ্জন বর্মন নামে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। সূত্রের খবর, বুধবার রাতে টিউশন ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরছিলেন পেশায় গৃহশিক্ষক দেবজিৎ বর্মন।
দিনহাটা -২ ব্লকের বড়শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের কুচনি এলাকায় বাড়ির কাছাকাছি পৌঁছতেই তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে কয়েকজন দুষ্কৃতী। বেধড়ক মারধর করা হয় তাকে। স্বামী মার খাচ্ছে খবর পেয়ে সেখানে আসেন অন্তঃসত্ত্বা প্রিয়া। অভিযোগ দুষ্কৃতীরা তাকে রেয়াত করেনি। তার পেটে একাধিক বার লাথি মারা হয়। মারের চোটে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন প্রিয়া। ব্যাপক রক্তক্ষরণ হতে শুরু করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার অস্ত্রোপচার হয় তার। তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেন। পুলিশে দায়ের হওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে দুজনকে গ্রেফতার করা হলেও ঘটনায় আরো অনেকে যুক্ত বলে দাবি আক্রান্ত শিক্ষকের। শনিবার আক্রান্ত শিক্ষকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যান বিধায়ক অজয় রায়। তিনি ঘটনার নিন্দা করে জানান, পুলিশ রঙ না দেখে যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করবে।
স্বামীকে বাঁচাতে গিয়ে খেতে হল দুষ্কৃতীদের লাথি
গর্ভেই মৃত্যু হল সন্তানের
- khabar365din
- October 31, 2026
- 3:42 pm
- No Comments






