তামিলনাড়ুতে ফের জেল ভেঙে পালাল বন্দি

৩৬৫ দিন। তামিলনাড়ুর থেনির জেল ভেঙে পালানোর ঘটনার রেশ কাটেনি। তার মধ্যেই আবার জেল ভেঙে পালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে এল। এ বার ঘটনাস্থল কোয়েম্বত্তূর।পুলিশ সূত্রে খবর, শুক্রবার এক কয়েদিকে সেন্ট্রাল জেলের সেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তাঁর হাতকড়া খোলাই ছিল। দু’টি দরজা পেরিয়ে জেল চত্বরে ঢুকতে হয়। প্রথম দরজা পেরিয়ে দ্বিতীয় দরজার সামনে পৌঁছোতেই ওই কয়েদি পালিয়ে যান জেল সূত্রের দাবি। ওই কয়েদির নাম রাঘবন। তিনি কোয়েম্বত্তূরের আন্নুরের বাসিন্দা।
কয়েদির খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। থেনির জেল ভেঙে ১৭ জন কয়েদি পালানোর ঘটনায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয় মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের টিভিকে সরকারকে। কোয়েম্বত্তূরের এই ঘটনা, রাজ্যের জেলগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও বড় প্রশ্নের মুখে ফেলল।থেনির জেল ভেঙে কয়েদি পালানোর ঘটনায় শনিবার ডেপুটি জেল সুপার এন রামলিঙ্গমকে সাসপেন্ড করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়। ২০২৪ থেকে থেনির জেলের দায়িত্বে রয়েছেন রামলিঙ্গম। ডেপুটি জেল সুপারের পাশাপাশি ওই জেলের বেশ কিছু কর্মীকেও বদলির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। থেনির ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি রাজ্যের সব জেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাচক্রে, মুখ্যমন্ত্রী যখন থেনির ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দেন, সেই সময়েই রাজ্যের আরও একটি জেল থেকে কয়েদি পালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতে অস্বস্তির মুখে টিভিকে সরকার।উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর থেনির জেলে ভেঙে ১৭ জন কয়েদি পালান। সেই ঘটনায় হুলস্থুল পড়ে যায়। ১৭টি দল গঠন করে কয়েদিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়। ২৪ ঘণ্টা পর ১৫ কয়েদিকে গ্রেফতার করা হয়। দু’জন কয়েদি আত্মসমর্পণ করেন। আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও কী ভাবে এত জন কয়েদি একসঙ্গে পালালেন, তা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় জেলকর্তাকে। সমালোচনার মুখে পড়তে হয় রাজ্য সরকারকে। এই ঘটনার পর ডিজিপি (কারাগার) সন্দীপ রাই রাঠৌরকে বদলি করে প্রশাসন। থেনির জেল সুপারকে শুক্রবার সাসপেন্ড করা হয়। তার পর শনিবার ডেপুটি জেল সুপারকেও সাসপেন্ড করেন মুখ্যমন্ত্রী।

Scroll to Top